দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর।. পশ্চিমবঙ্গের ১৩ টি জেলায় BRGF প্রকল্পে নিযুক্ত ৯১৬ জন জীবিকা সেবক’রা গত ৪০ মাস ধরে মাসিক ভাতা থেকে বঞ্চিত।২০০৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুন্নত এলাকা উন্নয়ন তহবিল ( বি অার জি এফ) প্রকল্পে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সহ পিছিয়ে পড়া ১৩ টি জেলায় ৯১৬ জন জীবিকা সেবক ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের কৃষি, সেচ, পশুপালন সহ বিভিন্ন গ্রামোন্নয়ন কর্মসূচী’তে উপদেষ্টা মূলক পরিষেবার জন্য নিযুক্ত।এদের মধ্যে প্রায় শতাধিক নিয়োগপত্র পান পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।জীবিকা সেবকগন দায়িত্ব নিয়ে পঞ্চায়েতের বিভিন্ন পরিকল্পনা রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে অাসছেন।তাঁরা গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মাধ্যমে মাসে মাসে ৭ হাজার টাকা ভাতা পেতেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত নিয়মিত ভাতা পেয়েছেন। গত ৪০ মাস ধরে

মাসিক প্রাপ্য ভাতা থেকে বঞ্চিত। অনেক উচ্চ শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা এই জীবিকা সেবক পদে নিযুক্ত। গত তিন বছরের বেশী ভাতা না পেয়ে জেলা এবং রাজ্যস্তরে অাবেদন- নিবেদন, অবস্থান -ধর্না দিয়ে ও রাজ্য সরকারের গ্রামোন্নয়ন দপ্তর কোন সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করেন নি। লকডাউন জনিত পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক সঙ্কটে জীবিকা সেবকদের পরিবার – পরিজন গভীর বিপন্নতা’র মুখোমুখি। সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে জীবিকা সেবকদের বকেয়া ভাতা প্রদানের পাশাপাশি এদের চাকুরির স্হায়ী করনের অাবেদন জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেন রাজ্যের তথাকথিত মা-মাটি- মানুষের সরকার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্হার স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা কে খর্ব করে অামলাতান্ত্রিক ব্যবস্হা কায়েম করেছেন।গ্রামোন্নয়নের প্রশ্নে জীবিকা সেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কদর রাজ্য সরকারের কাছে নেই। তাই তাঁরা বেতন ও ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।