প্রকাশ কর :দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক: মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।তৃণমূল কোনদিনও আদিবাসীদের কাছে যায় না, ভোট আসতেই আদিবাসীদের বাড়ি-বাড়ি ছুটছে আর বলছে দুয়ারে দুয়ারে সরকার। তাহলে আগে তৃণমূল সরকার টা করছিল কি? এই চোরেদের আটকাতে দুয়ারে তালা দিন, যেন ওরা ঢুকতে না পারে। সারা রাজ্য জুড়ে বিজেপির বড় বড় সভা হচ্ছে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস থেকে প্রচুর মানুষ প্রতিদিন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন।সে কারণে বিজেপির সভা ও অন্যদের থেকে বিজেপিতে যোগদান আটকাতে রাজ্যজুড়ে তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূলের লোকজন।এভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবেনা ।তৃণমূল সরকারকে রাজ্য থেকে উৎখাত না করা পর্যন্ত বিজেপির কর্মকর্তাদের ভয় দেখিয়ে আটকে রাখা যাবে না। তৃণমূলের পুরানো নেতাদের অনেককে প্রতিদিন অপমান করা হচ্ছে, স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না তাই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। আর মান ভাঙাতে আলোচনা চলছে দিনের পর দিন। মেছেদা রেল কলোনি ময়দানে বুধবার বিজেপির সাংগঠনিক জেলা কৃষাণ মোর্চা আয়োজিত যোগ দান মেলা ও জনসভায় কথাগুলি বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকবিজয়বর্গী্য়। অন‍্যান‍্য দের মধ্যে ছিলেন লকেট চ্যাটার্জি, অনুপম মল্লিক,বিজেপি নেতা সিদ্ধার্থ নষ্করসহ দলীয় নেতৃত্ব। সভায় শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সিরাজ খাঁন কৈলাস ও লকেটের হাত থেকে দলীয় পতাকা তুলে নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। সিরাজ খান সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের পঞ্চায়েত সহ বহু সংখ্যালঘু বিজেপিতে যোগদান করেন বলে ঘোষণা হয়। সিরাজ খান বলেন-” আমি মৎস্যজীবী। তাই মৎস্য দপ্তর চেয়েছিলাম কিন্তু আমাকে খাদ্য দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ করা হল। আমি রেশনের নিম্নমানের সামগ্রী সরবরাহ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ করলেও জেলা পরিষদ ও জেলা প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, উল্টে আমাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছিল না ।সে কারণে আমি দল ছাড়তে বাধ্য হলাম, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই তাই বিজেপিতে যোগদান। সাংসদ লকেট চ্যাটার্জী বলেন-“তৃণমূল দলটি দুর্নীতিতে ভরে গেছে এবং ভোট এলেই উনি জেলের কথা বলেন। উনি জানেন উনি যাবেন জেলে। সিপিএমের হার্মাদ ছিল সেই হার্মাদ এখন তৃণমূলে আছে এবং তৃণমূলের যে প্রকৃত সৈনিক সবাই বিজেপিতে যোগদান করছেন। যারা বিপ্লব করেছে তাদের তৃণমূলের আর দরকার নেই, দলটিতে পিসি- ভাইপো ছাড়া কেউ থাকবে না। বাংলায় কাউকে যদি জিজ্ঞাসা করেন চোর কে? তাহলে সবাই বলবেন ভাইপো। কাউকে যদি জিজ্ঞাসা করেন পশ্চিমবাংলায় গরু চোর কে? সবাই বলবেন ভাইপো। এখানে

    ভাইপোর সরকার চলছে। মমতা ব্যানার্জির নাটক সবাই জেনে গেছে”। এদিন কয়েক হাজার কর্মী সমর্থকরা খোল করতাল বাজিয়ে সভায় যোগদান করেন। যদিও সভাতে দেখা যায়নি তমলুক সংগঠনের সভাপতি নবারুণ নায়েক ও জেলার বেশ কয়েক নেতৃত্বকে।

      Share

      Leave a Reply

      Your email address will not be published. Required fields are marked *