গৌরীশংকর মহাপাত্র, এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর।বৃহস্পতিবার বিকাল ৫-৩৫ মিনিটে ইহলোকের মায়া কাটিয়ে অমৃতলোকে পাড়ি দেন “খাকুরদা বড়মোহনপুর” হাই স্কুলের কৃতী শিক্ষক ও সংগঠক শশাঙ্ক শেখর মহাপাত্র (৮৮)।

    বেশ কিছুদিন বার্ধক্য জনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন, পরিবারের পক্ষে কলিকাতার দিশানে চিকিৎসায় সুস্থ্য করে বাড়ি ফিরিয়ে আনেন প্রায় দিন ২০ আগে। বৃহস্পতিবার খাকুড়দা শ্যামসুন্দরপুর নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।ইতিহাসের এই শিক্ষক মাধ্যমিক স্তরের সব বিষয় দক্ষতার সঙ্গে পাঠদান করতেন, তাঁর ছাত্র ছাত্রী মহলে একটা প্রবাদ ছিল স‍্যারের ক্লাস ও আর নাট্যমঞ্চ সমার্থক এবং এটা সম্ভব ছিল তখন কার দিনে আর্ট্সের বিষয় নিয়ে অনার্স বা গ্ৰাজুয়েট হতে গেলে ইংরেজী ও বাংলা ভাষা কম্বিনেশন নিয়ে পঠন পাঠনের কারনে। ফলে ইতিহাস বিষয়ের সঙ্গে বাংলা ও ইংরেজী বিষয় দক্ষতার সঙ্গে ডেমন্সট্রেশন দক্ষতা ছিল অসীম । জীবনে পান(তাম্বুল) সর্বস্ব, রাজনীতি উদাসীন,বাকপটু সদালাপী এই শিক্ষকের সাংগঠনিক দক্ষতা ও ছিল প্রসংসনীয়। অবসর জীবনে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন ছিল তার মুক্ত বিচরণ ক্ষেত্র। কাঁথি শ্বশুরালয় কিংবা জামাতা আশ্রয়ে এলেই সপরিবারে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন পরিক্রমা ছিল রুটিন মাফিক।তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন ডি আর ডি ও, হায়দ্রাবাদে কর্মরত সাইন্টিস্ট-জি জ‍্যোষ্ঠ পুত্র, কাঁথি পিকে কলেজের কৃতী গৌতম মহাপাত্র ইসরো, হায়দ্রাবাদে কর্মরত সাইন্টিস্ট- ই পুত্রবধূ অর্চনা মহাপাত্র সহ চার পুত্র- পুত্রবধূ, স্ত্রী, চার কন্যা জামাতা এবং অসংখ্য গুণমুগ্ধ কৃতী প্রাক্তনী। গ্রাম‍্য শশ্মানে ওই দিন রাতেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

    Share

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *