গৌরীশংকর মহাপাত্র এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর: আজ সোমবার সিপিএম এর শ্রমিক সংগঠন সারা ভারত কৃষকসভা ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক বরোচাষের ক্ষতিপূরণ, গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প করে সরকারি মূল্যে সমস্ত রকমের ফসল ক্রয়, রেশনে প্রত্যেক গরীব মানুষকে মাথাপিছু ১৫ কিলো চাল,এবং ডাল, আটা, নিত‍্য প্রযোজনীয় খাদ্য সামগ্রী প্রদান, জবকার্ড হোল্ডারদের প্রত্যেককে ১০ হাজার করে, কৃষকদের ধান কেনায় রাজ্য সরকারকে অতিরিক্ত বোনাস দিতে হবে, পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা ও তাদের ৭৫০০ টাকা ভাতা প্রদান, কাজ না থাকার কারণে প্রতিটি জবকার্ডে ১০০০ টাকা ভর্তুকিসহ ৭ দফা দাবির ভিত্তিতে ব্লকে ব্লকে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।এগরা মহাকুমার এগরা-১ বিডিও অফিসে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ভুবন চন্দ্র খাটুয়া, বাদল চন্দ্র গিরি ,সমীর কুমার সামন্ত, অমিয় কুমার দাস, তপন কুমার প্রধান প্রমুখ।অনুরূপ বিক্ষোভ এগরা -২,পটাশপুর -১ ও ২ এবং ভগবানপুর-১ ব্লকে অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান দলের সি আই টি ইউর জেলা সম্পাদক সুব্রত পন্ডা।
      কাঁথি -১এ ডেপুটেশনে স্মারকলিপি বিডিও কে লিপন তালুকদারের হাতে প্রদান করা হয়।
      কাঁথি মহকুমাশাসক দপ্তরে ডিওয়াই এফ অাই,কাঁথি র অবস্থান, বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচি হয়।
        মারিশদা ব্লকে কৃষক সভা ও ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন হিমাংশু পণ্ডা, কালীপদ শীট, প্রতাপ দাস,খাজা অাবুল হোসেন, দেব কুমার ভূঞ‍্যা,অশোক পণ্ডা,সুকুমার ভূঞ‍্যা, প্রভাংশু মন্ডল প্রমুখ।
          দেশপ্রাণ ব্লকের ডিওয়াইএফ অাই কমিটির উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তাপস মিশ্র, রাজকুমার চক্রবর্তী,দিলীপ চন্দ,সৌমেন পাল,অমল ভূঞ‍্যা, সেক সফিউল অালি প্রমুখ। ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের নেতা মামুদ হোসেন বলেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার করোনা নিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চাইছে।
            পরিযায়ী শ্রমিকদের বিনা ব্যয়ে আনায় টালবাহানা, অর্থনৈতিক প্যাকেজ এবং নিবিড় করোনা টেস্টিং -এর কোন নাম গন্ধও নেই। দিশেহারা উভয় সরকার হাত তুলে নিতে চাইছে। এসবের বিরুদ্ধে সামাজিক দূরত্ব বিধি বজায় রেখে গণঅান্দোলন ই একমাত্র পথ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

            Share

            Leave a Reply

            Your email address will not be published. Required fields are marked *