দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক  :এগরা কাঁথি:পূর্ব মেদিনীপুর:মৎস্যজীবিদের জীবন জীবিকার স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে ১৮ই জুন বৃহস্পতিবার পেটুয়া মৎস্য বন্দরে উপস্থিত কয়েক হাজার মৎস্য জীবিদের নিয়ে সভা করলেন দেশপ্রাণ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তরুন কুমার জানা। মৎস্যজীবি বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃনমুলের ব্লক চেয়ারম্যান পুলীন বিহারী নায়ক,জেলাপরিষদের অধ‍্যক্ষ সন্দীপ বেরা, ৮পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ প্রধান বঙ্কিম বিহারী সাউ -আমতলিয়া, রাকেশ মাইতি -সরদা, অনুশ্রী পাল-বামুনিয়া, ফাল্গুনী মন্ডল -ধোবাবেড়‍্যা, অসীমা জানা ও উপ প্রধান বলাইলাল পড়্যা -দারিয়াপুর, তুষার পাত্র-বসন্তিয়া, তপন সামন্ত-চালতি, তিলক

    পড়্যা,গুরুপদ গারু প্রমুখ সহ ব্লক স্তরের নেতৃত্বগণ। সভার আগে জুনপুট কোস্টাল থানায় ও পেটুয়া মৎস্যবন্দর আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
      সভায় বক্তব্য রাখতেগিয়ে তরুণ বাবু বলেন-” কয়েকদিন আগে বিজেপির কিছু উন্মাদ, সিপিএমের কয়েকজন হার্মাদ মৎস্য বন্দরে বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্তদেরকে ধমক চমক দিয়েছেন যাতে তারা মমতা ব্যানার্জী সরকারের  ১৫ জুন থেকে বিভিন্ন জায়গায় মৎস্যজীবীদের জীবন-জীবিকার প্রশ্নে মৎস্য আহরণে যাওয়ার যে নির্দেশ , তাতে তারা যাতে  সামিল না হয়। এক শ্রেণীর সুবিধাভোগী যারা বিভিন্ন সময় আমাদের সঙ্গে থাকেন, আবার ভোট হলে অন্যরূপ ধরেন ,যেখানে সুবিধা তাকেই সমর্থন করেন। সেই সব চক্রান্ত করিদের অপচেষ্টা ব‍্যর্থ করতে হবে।
        তিনি আরও বলেন আমরা এই সভার মাধ্যমে আমাদের নেতা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে এই বার্তা দিতে চাই যে, আমরা সরকারের পাশে আছি সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্ত  মানবো। সিপিএম ও বিজেপির চক্রান্ত দেশপ্রাণ ব্লকে প্রতি হত করব। মিটিং এ আসার পথে আঁউরাই ও বকুয়া বাঁধে দুটি গাড়ি ভাঙ্গচুরের অভিযোগ করেন তরুণবাবু। এদিকে সিপিএম এর পক্ষ থেকে মামুদ হোসেন জানান পেটুয়াঘাট মৎস্য বন্দরের যতটা উন্নয়ন হয়েছে তা বাম আমলে। সম্পূর্ণ রূপ দেওয়া যায়নি তৃণমূল শাসিত সরকারের আমলে। সাম্প্রতিক যে ঘটনার জন্য সিপিএম কে দায়ী করা হচ্ছে তার সঙ্গে সিপিএম কোন ভাবে যুক্ত নয়। এটি তৃণমূলীদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের নগ্নরূপ। বিজেপিরকাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন পেটুয়ায় যা ঘটেছে তা দুই গোষ্ঠীর ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধ ।বিজেপি এলাকা দখলে বিশ্বাস করে না, এলাকার মানুষকে নিয়ে তারা অধিকার আদায়ের আন্দোলন করে। এই ঘটনায় বিজেপি কোনো ভাবে যুক্ত নয়। কার্যত পেটুয়া মৎস্য বন্দর ঘিরে শাসক বিরোধী দুই শিবিরের অভিযোগ একে  অন‍্যের বিরুদ্ধে।

        Share

        Leave a Reply

        Your email address will not be published. Required fields are marked *