গৌরীশংকর মহাপাত্র: এগরা কাঁথি:পূর্ব মেদিনীপুর।। আজ ২৫শে আগষ্ট পূর্ব মেদিনীপুর জেলাশাসকের কনফারেন্স হলে শিশু সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য শিশু সুরক্ষা আয়োগের চেয়ারপারসন অনন্যা চক্রবর্তী ,জেলার পুলিশও প্রশাসনের আধিকারিক’দের নিয়ে বৈঠক করেন।বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস, জেলাশাসক পার্থ ঘোষ,রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের স্পেশাল কনসালটেন্ট সুদেষ্ণা রায়, সদস্য শেখর ভট্টাচার্য, ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিস অথরিটির সেক্রেটারি সুমন কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা শাসক (সাধারণ ) সুদীপ সরকার, জেলা পরিষদের শিশু ও নারী কল্যাণ কর্মধ্যক্ষ সুমিত্রা পাত্র, জেলা সমাজ কল্যাণ আধিকারিক পূর্ণেন্দু পৌরাণিক, জেলা শিশু কল্যাণ কমিটির চেয়ারপারসন ড: দিলীপ কুমার দাস, জেলা শিশু সুরক্ষা আধিকারিক সারদা গিরি সহ ডিস্ট্রিক্ট চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিটের আধিকারিক এবং জেলার বিভিন্ন হোম থেকে আগত প্রতিনিধি’গণ। বৈঠকে দুটি ইস্যু নিয়ে

মূলত আলোচনা হয়। একটি লকডাউন পিরিয়ডে শিশুরা কি কি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল এবং জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিট কিভাবে ওভার কাম করেছে। অপর’টি কিভাবে চাইল্ড প্রটেকশন কমিটিকে আরও কার্যকরী করা যায়। আলোচনায় প্রত্যেক বক্তা তাদের মূল্যবান বক্তব্য পেশ করেন। রাজ্য শিশু সুরক্ষা আয়োগ এর চেয়ারপারসন শ্রীমতি চক্রবর্তী সার্বিক বিশ্লেষণ ও পরিচালনা করে পূর্ব মেদিনীপুরের শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে লকডাউন পিরিয়ডে গত বছরের তুলনায় প্রতি জেলায় বাল্যবিবাহ বেড়েছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের প্রসঙ্গে বলেন অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচি লেখা লিখিয়ে নেওয়াটা সঠিক পদ্ধতি নয়, বাল্য বিবাহের ঘটনা ঘটলেই তার বিরুদ্ধে এফআইআর করা উচিত।জেলাশাসক জেলায় বেশকিছু হোম রয়েছে যেখানে শিশুরা বসবাস করছে তাদেরকে সুস্থ ভাবে রাখাটাই আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। বিশেষ করে খাদ্য সামগ্রী
মজুত রাখা, স্যানিটাইজার করা ,সঠিক সময়ে মেডিকেল চেকআপ করা সে বিষয়ে আমরা দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছি এখনো পর্যন্ত কোন শিশু হোমে করোণা শিকার হয়নি। সভাধিপতি বলেন বর্তমান পঞ্চায়েতে যুক্ত ব্যক্তিগণ সচেতন হওয়ার ফলে বাল্যবিবাহের মতো ঘটনা কমেছে যত মানুষ সচেতন হবে অদূর ভবিষ্যতে বাল্যবিবাহের মত অপরাধগুলো বন্ধ হবে।জেলা সমাজ কল্যাণ
আধিকারিক এই পরিস্থিতিতে শিশুদেরকে সঠিকভাবে সার্ভিস দেওয়ার জন্য জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের কর্মীবৃন্দ ও হোমের সুপারদের ধন্যবাদ জানান।