প্রকাশ কর: দৈনিক আবেশ ভূমি ডেস্ক : মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।।                         অামফান দুর্যোগ ও নিম্নচাপের ঝড়বৃষ্টি’তে জেলা জুড়ে শুধু রাস্তাঘাট, সেতু, যোগাযোগ ব্যবস্হার বেহাল অবস্থা বেহাল তা নয়,অনেক প্রাথমিক, উচ্চপ্রাথ মিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, শিশু শিক্ষা কেন্দ্র, মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্র, অঙ্গনওয়াড়ী কেন্দ্র, মাদ্রাসা, কলেজ প্রভৃতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের পরিকাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছে। অ্যাসবেস্টস,টিনের চালা,টালির ছাউনি অামফান ও নিম্নচাপের দুর্যোগে তছনছ হয়েছে। তার উপরে করোনা লকডাউন জনিত কারণে গত মার্চ মাস থেকেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে অাছে।মিড-ডে- মিলের সামগ্রী বিতরণের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাসে মাসে দু-এক দিন স্কুলের তালাচাবি খোলা হয়।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ ধারাবাহিক সংষ্কার ও পরিষ্কার- পরিচ্ছন্নতা র অভাবে কোমর সমান অাগাছা,ধূলোময়লা ও জঞ্জালের স্তূপের পরিমন্ডলে পোড়োবাড়িতে পরিণত হয়েছে। স্কুল

    কতৃপক্ষ, ত্রিস্তর পঞ্চায়েত, শিক্ষা দপ্তর ও প্রশাসনের বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো কে রক্ষা করতে কোন হেলদোল নেই। পটাশপুর – ১ ব্লকের অমরপুর হীরালাল বিদ্যানিকেতন (মাধ্যমিকএর টিনের চাউনি উড়ে গিয়ে সব পরিকাঠামো বরবাদ হয়ে গিয়েছে। বিদ্যালয় টি ভগ্নাবস্থায় পোড়োবাড়িতে পরিণত। কাঁথি ও এগরা মহকুমা’র অগণিত স্কুলের দুরবস্থায় ছোখে জল অাসার অবস্থা। দেশপ্রাণ ব্লকের ভূপতিচক শিশু শিক্ষা কেন্দ্র, কাঁথি-৩ ব্লকের ধান্দালীবাড় হাই স্কুল ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, বনমালী চট্টা হাইস্কুল ইত্যাদি বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাসবেস্টসের চালা উড়ে গিয়ে প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের পরিকাঠামো মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দের কোন সরকারী তৎপরতা নেই বললেই চলে। কিছু স্কুল

      যৎসামান্য অনুদান পেয়ে পুরোপুরি মেরামতীর কাজ করে উঠতে পারে নি।সিপিঅাইএম নেতা তথা প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের প্রধান সচিব কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের পরিকাঠামো সংষ্কারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দ ও পরিবেশ রক্ষা করতে ব্যবস্হা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মামুদ হোসেন বলেন রাজ্য সরকার পড়ুয়া দের সাইকেল, বই-খাতা,জুতো- ব্যাগ দিয়ে ভোট ব্যাঙ্ক পরিপুষ্ট করতে যতটা অাগ্রহী ততটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের পরিকাঠামো ও পঠনপাঠনের মানোন্নয়নে অাগ্রহী নয়।শিক্ষা ব্যবস্হার অবক্ষয় মানে দেশ ও রাজ্যের মেরুদণ্ড ভেঙে পড়া। কেন্দ্রীয় সরকার একইভাবে নয়া শিক্ষানীতির নামেকেন্দ্রীকরণ,বাণিজ্যিকীকরণ ও মেরুকরণের পথ বেছে নিয়েছে বলে জানান।

        Share

        Leave a Reply

        Your email address will not be published. Required fields are marked *