প্রকাশ কর:দৈনিক আবেশভূমি ডেক্স :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর।। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অামফানে ক্ষতিগ্রস্থ বাড়ী মেরামতি, পানবরোজ, গবাদি পশু, মাছ চাষ, নৌকা মেরামতি ইত্যাদি র জন্য অনুদানের পরিমাণ ৫০০ কোটি ছাড়িয়েছে। অথচ আম ফানে বিধ্বস্ত ২৪৭২ টি প্রাথমিক, উচ্চপ্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের জন্য বরাদ্দ মাত্র ৪.৭৫ কোটি। ক্ষতিগ্রস্হ শিক্ষা প্রতি ষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ ১৫/২০ হাজার। মিড-ডে মিল শেড মেরামতিতে ঐ টাকা। বিদ্যালয়সমূহের ক্ষতিগ্রস্থ পরিকাঠামো মেরামতের কোন অর্থ বরাদ্দ হয় নি।সুতাহাটা ও নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের ২৮২ টি ক্ষতিগ্রস্থ স্কুলের জন্য ৫ কোটি। তাও অাবার সংখ্যালঘু উন্নয়ন দপ্তর এমএস ডিপি প্রকল্পের টাকা থেকে। সংখ্যালঘু উন্নয়ন

প্রকল্পের টাকা বিদ্যালয় মেরামতের জন্য খরচ করলে সংখ্যালঘুদের অন্য উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের রূপায়ণে ঘটতির সম্ভাবনা ষোল অানা।অাগামী ২১ শে সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন শুরু করতে হল ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়ে পরিকাঠামো মেরামতের অাশু প্রয়োজন। অামফান দুর্যোগের ৫ মাস পরেও বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো মেরামতে সরকারের কোন হেলদোল নেই। দূর্যোগে উপকূল সংলগ্ন এলাকা ক্ষয়ক্ষতি হলেও জেলার ২৫ টি ব্লকেই বিভিন্ন খাতে ৫০০ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিল প্রকল্পে শেড মেরামতি র জন্য ৪.৭৫ কোটি টাকা অার সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৯.৭৫ কোটি টাকা। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহ নিয়ে সরকার কতটা উদাসীন অর্থবরাদ্দের পরিমাণ থেকে সহজেই অনুমেয়। বাড়ী না ক্ষতিগ্রস্থ হলেও মেরামতির টাকা পাওয়া যায় কিন্তু স্কুলের পরিকাঠামো বিধ্বস্ত হলেও

মেরামতের টাকা পাওয়া যায় না। প্রতি ক্ষতিগ্রস্হ বিদ্যালয় মেরামতিতে নূন্যতম ৫/১০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। সেখানে রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্থ স্কুলের জন্য ১৫/২৫ হাজার টাকা মাত্র বরাদ্দ কেন? সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন সরকারের শিক্ষা অধিকর্তা কে ই-মেইল বার্তায় বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন শুরুর আগে ক্ষতিগ্রস্থ পরিকাঠামো মেরামতের জন্য আশু প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দের দাবী জানিয়েছেন।তিনি আরও বলেন রাজ্য সরকার অামফান অনুদান নিয়ে ভোটব্যাঙ্ক পরিপুষ্ট করতে হরিরলুটে ব্যস্ত।অথচ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পঠন পাঠন সুচারু করতে বিদ্যালয় পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রশ্নে নির্বিকার।