গৌরীশংকর মহাপাত্র: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। বৈচিত্র্যর মধ্যে ঐক্য বাংলার ঐতিহ্য,বহু ভাষাভাষী, বহুবর্ণের ও বহু পেশার মানুষের বসবাস বাংলায়। ডব্লিউবিসিএস, আইএএস, অধ্যাপক, শিক্ষক, আইসিডিএস, সংগঠিত শ্রমিকদের বিভিন্ন পেশার মানুষের সংগঠন রয়েছে। সংগঠনের নেতৃত্বের চাপে সরকার থেকে তাদের সুযোগ সুবিধা আদায় করে নিয়ে নিজেদের নানান চাহিদা পূরণ করে।
সমাজের বিভিন্ন পেশায় রয়েছে অসংগঠিত হাজার হাজার শ্রমিক, তাদের তেমন কোন সংগঠন নেই, সরকার চালাতে গিয়ে অসংগঠিত মানুষের অধিকার রক্ষার কথা মাথায় রাখতে হয়। তাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মানবিক সরকার এই মহকুমায় ৬০বছরের উর্ধ্বে১৫৭ জন নির্মাণ শ্রমিককে মাস প্রতি ৭৫০ এবং ট্রান্সপোর্ট শ্রমিক১৭কে ১৫০০ টাকা পেনশন দেয়। ৪,০৯,১২,৬৬৩ টাকা 8৫৭২ পরিবারকে শ্রমদপ্তর চলতি আর্থিক বর্ষে এডুকেশন, মেডিক্যাল, স্বাভাবিক মৃত্যু, দুর্ঘটনায় মৃত্যু, ফাইন্যাল পেমেন্ট দেয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ নিধি প্রকল্পে প্রতিমাসে একাউন্টে ৫৫ টাকার ৩০ টাকা সরকার এবং ২৫ টাকা বেনিফিসারী দিয়ে আসছিল।এই মাত্র
ডেপুটি লেবার কমিশনার বললেন- ঐ ২৫ টাকা ও বর্তমান রাজ্য সরকারের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী একাউন্টে দিয়ে দিচ্ছেন ।ফলে বেনিফিসারীদের আর কোন টাকা দিতে হচ্ছে না। এই সুবিধার কথা এলাকার শ্রমিক দের জানাতে হবে, এগরা ও কাঁথি মহকুমায় আরও বেশি মানুষকে এই সুবিধার আওতায় আনতে হবে। সরকার যদি “দুয়ারে সরকার, কর্মসূচীতে দুয়ারে গিয়ে পরিষেবা দিতে পারে, আরো পরিষেবা দিতে “পাড়ায় সমাধান”এর পদক্ষেপ নিতে পারেন ,কেন শ্রমদপ্তর বিভিন্ন মানুষকে আরো বেশি করে যুক্ত করতে পারবেন না?এগরা
জে এল হাইস্কুলের ‘হরিপদ শাসমল স্মৃতি সংস্কৃতি মঞ্চ’এ এগরা মহাকুমা শ্রমিক মেলার উদ্বোধন করতে গিয়ে রবিবার কথা গুলি বলেন রাজ্যের প্রাক্তন সমবায় মন্ত্রী বিধায়ক অধ্যাপক জ্যোতির্ময় কর।এদিন অনুষ্ঠানে অসংগতি শ্রমিক কার্ড থাকায় দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যুতে মৃত এগরার সামসেদ আলি খানের বাবা ফরিদ খানের হাতে ২০০০০০(দুই লক্ষ) টাকার চেক,স্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য পটাশপুর-১এর কাজল রাণী ভক্তা’র হাতে তার স্বামীর মৃত্যু তে ৫০ হাজার টাকার শ্রমদপ্তরের চেক তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এগরা মহকুমা শাসক অরূপ দত্ত, এগরা পৌর প্রশাসক প্রধান শংকর বেরা, প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য হরিপদ বেরা, ডেপুটি লেবার কমিশনার মিহির সরকার, তমলুক, হলদিয়া, কাঁথি ও এগরার শ্রম আধিকারিক, এগরা-১ পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রভুপাদ দাস, সমবায়ী নির্মল পাত্র, স্থানীয় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রকাশ কুসুম দাশ প্রমুখ। দু দিনের এই মেলার সমাপ্তি ঘটবে মঙ্গলবার।যেখানে প্রায় ৫ কোটি টাকা অনুদান একটি মহকুমার মানুষে বিতরণ হচ্ছে অথচ বিভাগের পক্ষে মেলা ঘিরে তেমন প্রচার না থাকায় স্থানীয় মানুষ উষ্মা প্রকাশ করেন। কেবল দপ্তরের গড়িমেসিতে সরকারের এমন মহৎ উদ্যোগ মার খাচ্ছে বলে তাদের অভিমত। সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় হরিপদ পন্ডা।