
প্রকাশ কর : দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক : মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।স্বাধীনতার ৭৪ বৎসর পরও শিশুদের পঠন পাঠনে আনন্দ মুখর পরিবেশ দিতে পারল না দেশপ্রাণের চালতি পঞ্চায়েতের সরস্বতীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছাদহীন আকাশের নীচে পাঠদান ও মিড ডে মিল পরিষেবা নিয়ে আসছে শিশুরা। কোভিড -১৯ এ স্কুল বন্ধ থাকায় মিড ডে মিলের খাদ্য সামগ্ৰী ও স্বাস্থ্য কিট বিতরণ হয় সোমবার। বিদ্যালয়ের ঘর না থাকায় আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে ১৪০ ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবক তাদের বরাদ্দ সামগ্ৰী গ্ৰহন করে। পরিকাঠামো হীনতায় এ বৎসর ছাত্র ভর্তি আগের তুলনায় কম। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌরীশংকর মহাপাত্র জানান ভূমি সমসায় দীর্ঘ ২১বৎসর বিদ্যালয় মমলায় জড়িয়ে। মামলা মীমাংসায় নিস্পত্তি হয় পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তরুণ জানা ও চালতি পঞ্চায়েত প্রধান তপন কুমার সামন্তের হস্তক্ষেপে। বিদ্যালয়ের হাতে যেটুকু টাকা মামলার মধ্যে এস থেকে গেছে তাতে একটি রুম ও সিঁড়ির কাজ হবে, বিদ্যালয়ের ৬টি ক্লাস একটির ও শ্রেণী কক্ষ নেই, শিক্ষক সংখ্যা -৫, কিন্তু অসমাপ্ত কাজের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ কে জানিয়ে ও কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ আজও পাইনি।” দুয়ারে সরকার”এ আবেদন করেছি কোন সাড়া নেই । বিষয়টি দেশপ্রাণ ব্লকের বিডি ও কে, কাঁথি নতুন চক্রের বিদ্যালয় পরিদর্শক চিরঞ্জিত সাঁতরাকে, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ সভাপতি তরুণ কুমার মাইতির নজরে এনেছি,জেলা শাসকে আবার জানানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। এ বিষয়ে দেশপ্রাণ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তরুণ কুমার জানা জানান মাঝে সরকার টাকা দিয়ে ছিল বিডিওর হাতে কিন্তু মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় বিদ্যালয়ের জন্য টাকা বি ডি ওর থেকে ফিরে যায়। সরকারের টাকা ফিরে গেলে পরে পেতে সমস্যা। আজ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহ শিক্ষক গণ এসে ছিলেন বলেছি আজ জেলা শাসকের নজরে আনব। দীর্ঘ দিন মামলার কারনে স্কুল বঞ্চিত এটা সত্য, আগামী দিনে স্থানীয় মানুষের চাহিদা পূরনের চেষ্টা করব। বিদ্যালয়ে কোন ক্লাস রুম নেই, তিনটি অসমাপ্ত শ্রেণী কক্ষ, বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী রয়েছে, ছাত্র সংখ্যা -১৪০, সংখ্যালঘু ছাত্র ছাত্রী -৭৫। এ বিষয়ে চালতি পঞ্চায়েত প্রধান তপন কুমার সামন্ত কে জানতে চাইলে তিনি জানান প্রধান শিক্ষক দুয়ারে সরকারে আবেদন করেছেন ঐ দিনই আমরা পাঠাই, স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের অসুবিধা হচ্ছে ঠিকই , প্রধান শিক্ষক বহু চেষ্টা করেছেন। মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে ছাত্র ছাত্রীরা দ্রুত পরিকাঠামো ফিরে পাবে তার চেষ্টা হচ্ছে। বিদ্যালয় পরিদর্শক চিরঞ্জিত সাঁতরা জানান “দুয়ারে সরকার” এ দীঘা সার্কেলের দুটি স্কুল আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। এই মুহূর্তে এই বিদ্যালয়ের পরিকাঠাম ঠিক না হলে স্কুল চালাতে শিক্ষক মহাশয় গণ অসুবিধায় পড়বেন। সকলেই সরকারি পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে।
