
গৌরীশংকর মহাপাত্র: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। এগরা-২এর বাথুয়াড়ী পঞ্চায়েতের কৃতি শিক্ষক, সংগঠক সমাজসেবী রাজনীতিক বিধুভূষণ পাহাড়ী(৯৩) আজ নিজ বাসভবন উত্তরবাড় গ্ৰামে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। বুধবার বিকেল ৪-২০তে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে অমৃতের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন। কর্মজীবনে তিনি বাথুয়াড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, বাথুয়াড়ী আদর্শ বিদ্যাপীঠ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দীর্ঘসময়ের সম্পাদক, বাথুয়ারি পঞ্চায়েতের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য, অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের সদস্য থেকে জেলায় প্রাথমিক শিক্ষার প্রসারে কৃতিত্বের ভূমিকা পালন করেছেন। স্বল্পভাষী, কর্মবীর, নিরহংকারী ধূতিসর্বস্ব এই রাসভারী সংগঠক স্বাধীনতা সংগ্রামী সৌদামিনী পাহাড়ী নাতি এবং বাথুয়াড়ী ইউনিয়ন বোর্ডের দীর্ঘ সময়ের প্রেসিডেন্টের ছেলে হওয়ার সুবাদে সমাজ সেবা ছিল তাঁর মজ্জাগত। তাঁরই জাতীয়তা বাদ রাজনীতির হাত ধরে এলাকার বিধায়ক তাঁর মধ্যম ভ্রাতা প্রয়াত বিভূতিভূষণ পাহাড়ী। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন সামরিক বিভাগের কর্মরত, খেজুরী স্কুলে কর্মরত এক শিক্ষক, মাদ্রাসা বোর্ডে কর্মরত শিক্ষক এবং আমেরিকায় গবেষণারত ৪ কৃতি ছেলে, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অহিভূষণ ও ইন্দুভূষণ, সমাজসেবী ভূজঙ্গাসন পাহাড়ীদের মত ভাইসহ অসংখ্য গুনমুগ্ধ। আগেই ২০১৮তে স্ত্রী গত হয়েছেন। তা়র মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া। বৃহস্পতিবার বেলা ১০টায় তাঁর মরদেহ তার প্রিয় প্রতিষ্ঠানগুলি ঘুরে গ্রাম্য শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে সন্তপ্ত পরিবারে সমবেদনা জানান আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক ও সাংবাদিক অমলেশ মিশ্র, প্রাবন্ধিক হরিশ্চন্দ্র দাস, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ পতি, রথীন্দ্রনাথ পতি, এগরা -২পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও এক সময়ের শিক্ষক নেতৃত্ব দীনেশ প্রধান, বাথুয়াড়ী পঞ্চায়েত প্রধান লক্ষীরাণী হাজরা, উপ প্রধান সুজিত শী প্রমুখ।
