
গৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর।জেলার সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় গ্রামের পর গ্রাম ভেসে গেল “ইয়াশ” দুর্যোগের ফলশ্রুতি সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে।সমুদ্র বাঁধ উপচে ১২/১৪ ফুট জল সুনামির মতো ভাসিয়ে দিল সমগ্র উপকূলবর্তী গ্রাম গুলিকে। দেশপ্রাণ, কাঁথি-১,রামনগর-১ ও ২,খেজুরী-২, নন্দীগ্রাম-১ ব্লকসমূহ সহ হলদিয়া এলাকায় জলোচ্ছ্বাসে জনজীবন বিপর্যস্ত ও অর্থনৈতিক সঙ্কট চরমে উঠেছে।” ইয়াশ” ঘূর্ণিঝড়ের থেকেও এলাকায় বেশী ক্ষতি হলো কোটাল ও সমুদ্রের জল ফুলে ফেঁপে উঠার ফলে জলোচ্ছ্বাসে।অনেক জায়গায় সমুদ্র বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে লোকালয়ে জল ঢুকে একতলা বাড়ী পর্যন্ত প্লাবিত হয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকার মাছের ভেড়ী জলের তলায়।চাষবাস, ফসল,অানাজ-সব্জী,ফলের বাগান, পান বরোজ,পুকুর, নার্সারী সবই জলের তলায়।কয়েকলক্ষ মানুষ ক্ষতি গ্রস্ত দীঘা শঙ্করপুর, তাজপুর, মান্দারবনি,শৌলা,বগুড়ান জলপাই,জুনপুট, বাকীপুট,দারিয়াপুর পেটুয়া,দহসোনামুই, রসুলপুর, নিজকশবা, হিজলী,পাঁচুড়িয়া,খেজুরী, ভাঙ্গাবেড়া, কেন্দেমারী,হলদিয়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন বলেন সমুদ্র উপকূল বর্তী এলাকা জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত,অর্থনীতি বিধস্ত ও জনজীবন বিপর্যস্ত। মৎস্য চাষীদের ক্ষতিপূরণ সহ ফসল,আনাজপত্র,পানবরোজ,গবাদিপশু, নার্সারির ক্ষয়ক্ষতির পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষতিপূরণ, ঘরবাড়ির মেরামতির অনুদান, ক্ষতিগ্রস্থ মানুষজনের জন্য ত্রিপল,খাদ্যসামগ্রী ও পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ করার লক্ষে জেলার দুই মন্ত্রী ডঃ সৌমেন মহাপাত্র ও অখিল গিরি কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন। সেই সাথে জেলা শাসককে দুর্গত মানুষদের উদ্ধার কার্য ও পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী প্রদানের অাবেদন জানান। খেজুরীর বিধায়ক শান্তনু প্রমাণিক জানান হিজলী কাদেরাবাদ নদীবাঁধ ভেঙ্গে নিজকশবা ও খেজুরী পঞ্চায়েতের গ্ৰামের পর গ্ৰাম জলের তলায়। আকস্মিকতায় গবাদি পশু সরানো সম্ভব হয়নি। তিনি ডিজাস্টার ম্যনেজমেন্টেকে লাগিয়ে মানুষকে সরিয়ে আনার দাবি করেন।