
নিজস্ব সংবাদ দাতা : দৈনিক আবেশভূমি :কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর। ইয়াশ এ জলোচ্ছ্বাস কবলিত দেশপ্রান ব্লকের অামতলিয়া, ধোবাবেড়িয়া, বসন্তিয়া,দারিয়াপুর অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেন কাঁথি পৌর প্রশাসকমন্ডলী র দুই সদস্য মামুদ হোসেন ও সুপ্রকাশ গিরি। তাঁরা জলমগ্ন দেশপ্রাণ (পেটুয়া)মৎস্য বন্দরের ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিন পর্যালোচনা করেন। মামুদ হোসেন বলেন একদিকে বঙ্গোপসাগরের জলোচ্ছ্বাস ও অপরদিকে রসুলপুর নদীর উভয় কূলের জোয়ারের জলে দেশপ্রাণ ব্লকের বামুনিয়া, দারিয়াপুর,বসন্তিয়া,ধোবাবেড়িয়া, অামতলিয়া ও অাউরাই অঞ্চলের সমুদ্র উপকূল বর্তী ও নদীকূল বর্তী মৌজা সমূহ প্লাবিত।সুনিয়া, উমাপতিবাড়, ফুলবাড়ী, ঘোড়াঘাটা,পূর্ব অামতলিয়া,কালুয়া, শ্যামচক,দেউলপোতা,রসুলপুর, দক্ষিণ অাড়িয়া,পেটুয়াঘাট, কানাই চক,বাকীপুট, কাদুয়া,জুনপুট প্রভৃতি এলাকা জলমগ্ন হয়ে মানুষজনের ঘরবাড়ি, মাছের ভেড়ি, পানবরোজ, অানাজসব্জি,ফসল সব ভেসে গিয়েছে। কয়েক হাজার কোটি টাকার মাছের ভেড়ি জলের তোড়ে জলসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। সুপ্রকাশ গিরি বলেন দীঘা থেকে হলদিয়ার উপকূল বর্তী এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত। মৎস্য ও কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতি ধ্বংসপ্রাপ্ত।খেজুরী-১ ও খেজুরী-২, রামনগর-১ ও ২,কাঁথি-১,নন্দীগ্রাম-১, হলদিয়া, কাঁথি-৩, মহিষাদল ব্লকে ক্ষয়ক্ষতি মানুষের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড কে ভেঙে দিয়েছে। দেশপ্রাণ (পেটুয়াঘাট) মৎস্য বন্দরে জোয়ার জল ঢুকে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ও পেট্রোল পাম্পের ক্ষতি হয়েছে। মামুদ হোসেন জানান- মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরি ও সেচ মন্ত্রী ডঃ সৌমেন মহাপাত্র কে উপকূল বর্তী এলাকার ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে লিখিত রিপোর্ট প্রদান করা হয়েছে।