
ষ্টগৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর।” স্বর্ণযুগ নয় কন্টাই কোঅপারেটিভ ব্যাংকের ইতিহাসে পরিচালন কমিটির গত ১২টা বছর অন্ধকার যুগ” । ব্যাঙ্কের ঋণ ক্রমশ কমছে।২০১৬ সাল পর্যন্ত ছিল ৬০% শতাংশ এখন৭৫.২৫%শতাংশ। ৮০হাজারের বেশি শেয়ারহোল্ডার বছরের পর বছর ডিভিডেন্ট পাচ্ছেন না। এই ব্যাংকে সব অনিয়ম এখন নিয়মে পরিণত করেছে এই পরিচালন কমিটি। এদের আজ ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই অথচ এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়ম নৈতিকতার কথা বলেন। এখনও তিনি যেভাবে ক্ষমতায় আছেন তা রাজ্য সরকারের বদান্যতায়। এমন লোকের মুখে নীতি-আদর্শের কথা মানায় না। রবিবার কাঁথি শহরে কন্টাই কোঅপারেটিভ ব্যাংকের প্রধান শাখার সামনে সাংবাদিক বৈঠকে বর্তমান চেয়ারম্যান কে নিশানা করে কথাগুলো বলেন রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরি। তিনি আরো বলেন আগামী ২রা জুলাই বিধানসভা খুলবে, রাজ্য সরকার বাজেট পেশ করবে। সেইদিনই বিধানসভায় সমবায় বিষয়ক আলোচনা থাকছে, কন্টাই কো অপারেটিভ ব্যাংকের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। আমাদের গর্বের এই ব্যাংকে বাঁচাতেই আজ আমাদের পথে নামতে হয়েছে। উপস্থিত রাজ্যের প্রাক্তন সমবায় মন্ত্রী ও এই ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক জ্যোতির্ময় কর সমবায় আইনের ধারাগুলি তুলে ধরে বর্তমান বোর্ড ও তার চেয়ারম্যান কিভাবে অকৃষি ব্যাঙ্ক কে কৃষি ব্যাঙ্কের নেচারে এনে ধারাবাহিক অনিয়ম করছেন তার উল্লেখ করেন। দুদিন আগে ব্যাংক পরিচালন কমিটি পত্র পত্রিকার মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন বলে দাবি করেন। তিনি বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী না জেনেশুনে যে উল্টো মন্তব্য করছেন তিনি তার বিরোধিতা করে বলেন- সমবায় আইন মোতাবেক কোন ব্যাংকের চেয়ারম্যান টানা দু’বারের বেশি থাকতে পারেন না অথচ এই ব্যাংকে রাচজ্য সরকারের বদান্যতায় বর্তমান বোর্ড প্রধান ছড়ি ঘোরাচ্ছেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক উত্তম বারিক, কন্টাই কো অপারেটিভ ইউনিয়নের সম্পাদক হরিসাধন অধিকারী, পৌর প্রশাসনিক বোর্ডের সদস্য রত্নদ্বীপ মান্না, হাবিবুর রহমান, বিকাশ বারিক প্রমুখ। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা ও ব্যবস্থাপনায় তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি।
