
দৈনিক আবেশভূমি ডেক্স: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর।ঘুর্ণিঝড় “যশ”এর আঘাতে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্রতীরবর্তী জেলাগুলিতে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিগত বছরের মত এবছরও কোভিড মহামারীর আতঙ্ক তার উপর “যশের” আঘাতে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে কাজলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ও পিসি চন্দ্র গ্রুপ এর আর্থিক সহযোগিতায় কাঁথি দেশপ্রাণ ব্লকের দারিয়াপুর পঞ্চায়েতের হরিপুর আই.সি.ডি.এস সেন্টারে প্রতাপপুর ও কানাইচট্টা গ্রামের ১০০ ” ইয়াশ” ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।এই খাদ্য সামগ্রীতৈ ছিল চাল ৫ কেজি, আটা ৫ কেজি, ডাল ১ কেজি, সরিষার তেল ১ কেজি, ছোলার ছাতু ১ কেজি, আলু ৫ কেজি, পেঁয়াজ ২ কেজি, সয়াবিন ১ কেজি, চিনি ২কেজি, চিড়া ভাজা ২ কেজি, ডিম ৩০ পিস, লবন ১ কেজি , বিস্কুট ১ প্যাকেট, সাবান ৪ পিস।বিতরণ পর্বে উপস্থিত ছিলেন কাঁথি দেশপ্রাণ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বসুমতি বর, গ্রাম সদস্য শ্যামল জানা, কাজলা জনকল্যাণের মুখ্য হিসাব রক্ষক বন্দন কুমার দাস, সুপারভাইজার দিপালী পণ্ডা প্রমুখ।পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা বসুমতি বর তার বক্তব্যে বলেন বিগত দিনে আমি যখন প্রধান ছিলাম তখন থেকে আজ পর্যন্ত কাজলা জনকল্যাণ সমিতি বিভিন্ন দুর্যোগ ও উন্নয়নমূলক কাজে সহায়তা করছে। বর্তমান ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে কাজলা জনকল্যাণ সমিতির মাধ্যমে পিসি চন্দ্র গ্রুপ যে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।কাজলা জনকল্যাণ সমিতির মুখ্য হিসাবরক্ষক বন্ধন কুমার দাস তার বক্তব্যে বলেন ইয়াস ক্ষতিগ্রস্ত আপনারা সমুদ্র উপকূলবর্তী এরিয়ায় আছেন বলে কৃষিকাজ ,পশুপালন বাড়ি সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তার জন্য যে পরিমাণ আপনাদের ক্ষতি হয়েছে সেই পরিমাণ ক্ষতির মূল্য আমরা দিতে পারব না, আমরা পিসি চন্দ্র গ্রুপের আর্থিক সহযোগিতায় আপনাদের হাতে কিছু খাদ্যসামগ্রী তুলে দিতে এসেছি। এই ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের আর্থিক সহযোগিতার জন্য পিসি চন্দ্র গ্রুপকে সমিতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন জানান।
