প্রদীপ কুমার গোল: দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক:নন্দীগ্রাম: পূর্ব মেদিনীপুর।অতিমারি পরিস্থিতির কারণে নন্দীগ্রামে রথযাত্রা উৎসবে বিধিনিষেধ আরোপ করল নন্দীগ্রামের প্রশাসন। প্রশাসনিক বৈঠকে রথ কমিটি গুলিকে জানানো হয় বর্তমানে করোনা অতিমারি পরিস্থিতির কারণে রথযাত্রা উৎসবে বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ। করোনা বিধি মেনে তারা যেন রথযাত্রা উৎসবে সামিল হন। এই নির্দেশের পর নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকায় রথযাত্রা উৎসব কমিটির তরফে রথ চালানোর কোনরূপ উৎসাহ দেখাচ্ছেন না। তবে নিয়মাবলী মেনে পূজাপাঠ হবে বলে কমিটি গুলির তরফে জানিয়েছে।

নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকায় ছোট বড় প্রায় ৫৬টি রথ চলে। সবচেয়ে প্রাচীন মহম্মদপুরের পড়ুয়াদের রথ, রঙ্কিনীপুরের করুণা দাসের রথ।এছাড়াও নন্দীগ্রাম ,মহেশপুর, শ্রীপুর, সোনাচুড়া, সুবদি, মঙ্গলচক (তেরপেক্ষা), দীনবন্ধুপুর,টেঙ্গুয়া প্রভৃতি এলাকায় রথ চলে। বর্তমানে বেশিরভাগ রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়েছে নিজস্ব বা কতিপয় উৎসাহী মানুষের উদ্যেগে। কিন্তু প্রাচীন রথ তাদের জমিদারের ঐতিহ্য বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

নন্দীগ্রামের চিকিৎসক গৌতম ত্রিপাঠি তিনি প্রায় ৩০বছর আগে ২৮-৩০ফুটের বড় মাপের রথ তৈরি করে ছিলেন।বিদ্যুৎ লাইনের কারনে উচ্চতা কমিয়ে ১৬-১৮ফুটের করেছেন। করোনার বিধিনিষেধ কে তিনি মান্যতা দিচ্ছেন। শ্রীপুরে প্রথম রথ করেন শ্যামপদ দাস। পরে রাজনৈতিক কারণে সিপিএম ,কংগ্রেসের উদ্যোগে দুটি চলে। পরে তৃণমূলের পরিচালনায় চললেও  বর্তমানে শ্রীপুর বাজার কমিটির তত্ববোধনে পরিচালিত হয়।

 নন্দীগ্রাম এলাকার সর্বত্রই করোনা বিধিনিষেধ থাকায় রথে চড়ে জগন্নাথের মাসি বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না। কোথাও ভ্যান বা টোটো তে চেপে মাসি বাড়ি যেতে হবে।তবে আচার মেনে পুজো পাঠ ভোগ নিবেদন সবই হবে।

    Share

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *