
দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর।পশ্চিমবঙ্গে কোভিড টীকাকরণ কর্মসূচী তে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা কাঁথি পৌরসভার।কাঁথি শহরে ৯ টি ভ্যাকসিনেশান কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪০০০ মানুষকে টীকা দেওয়ার কাজ চলছে। কিন্তু কোভিড টেস্টিং এর ক্ষেত্রে কাঁথি শহরের পরিকাঠামো অত্যন্ত দুর্বল। কেবলমাত্র কাঁথি(দারুয়া) মহকুমা হাসপাতালে সারাদিনে ২০-২৫ টি করে কোভিড পরীক্ষা করা হয়। কোভিড পরীক্ষার মোটামুটি তিন ধরনের হয়ে থাকে। রেপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট, কোভিড অারটিপিসিঅার টেস্ট ও ট্রু নাট টেস্ট ইত্যাদি। রেপিড টেস্টের রিপোর্ট কয়েকঘন্টার মধ্যে পাওয়া যায়। কিন্তু অারটিপিসিঅার রিপোর্টের জন্য কীট তমলুক হাসপাতালে পাঠানো হয়।রিপোর্ট অাসতে ৫-৬ দিন লেগে যায়। অাগে কোলকাতা থেকে অারটিপিসিঅার টেস্টের রিপোর্ট ২-৩ দিনেই চলে অাসত।ট্রু নাট পরীক্ষার দুটি ম্যাসিন কাঁথি হাসপাতালে অাছে।একটি অাছে কাঁথি শহরের মধ্যস্হলে শীতল প্রসাদ মাইতি ওয়ার্ডের অাউটডোরে ও অারেকটি অাছে দারুয়া হাসপাতালে।অথচ কোভিড পরীক্ষার কীটের অভাবে ট্রুনাট মেশিনে কফ পরীক্ষা র মাধ্যমে যক্ষা (অারএনটিসিপি)রোগ নির্ণয়ের কাজ চলছে।কোভিড পরীক্ষা পর্যাপ্ত পরিমাণে না হওয়ায় বেসরকারী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা চলছে। সাধারণ মানুষদের বেশী পয়সা গুনতে হচ্ছে। কোভিড পরীক্ষা যথাসময়ে না হওয়ায় মানুষের ভোগান্তি র শেষ নেই। বিদেশে যাওয়া, ভ্যাকসিন নেওয়া, যথাসময়ে চিকিৎসা সহ সমস্ত রকমেরপরিষেবা পেতে দেরি হচ্ছে। কাঁথি পৌরসভার প্রশাসকমন্ডলী র সদস্য তথা প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি মামুদ হোসেন নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য অাধিকারিককে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে অবিলম্বে কাঁথি শহরে শীতল প্রসাদ মাইতি ওয়ার্ডে ট্রু নাট মেশিনে পর্যাপ্ত কোভিড কীট সরবরাহ করে করোনা নির্ণয়ের কাজ পুনরায় চালুর দাবী জানিয়েছেন।পাশাপাশি কোভিড অারটিপিসিঅার টেস্টের রিপোর্ট তমলুক জেলা হাসপাতাল থেকে দুদিনে পাওয়া সুনিশ্চিত করনের জন্য জেলা স্বাস্থ্য অাধিকারিককে অনুরোধ করেন।
