
গৌরীশংকর মহাপাত্র ও সুদীপ কুমার খাঁড়া: দৈনিক আবেশভূমি: ঝাড়গ্রাম।বিশ্বপর্যটন দিবসে ‘স্থিতিশীল গ্রামীন উন্নয়ন ও সুস্থ জীবন গড়তে জৈব চাষাবাদে গতিশীলতা’ এই শীর্ষক আন্তর্জাতিক-ই- কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয় সোমবার ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সিধু কানু আলোচনা সভা গৃহে । আয়োজক ঝাড়গ্রাম জেলার সেবা ভারতী মহাবিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগ ও আইকিউএসি। সৌজন্যে ছিল আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনেস্কো গুয়াংজু চোনাম অ্যাসোসিয়েশন, কোরিয়া এবং সহযোগী আয়োজক হিসেবে ট্রপিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ আর্থ অ্যান্ড এনভারমেন্টাল রিসার্চ নামক গবেষণা সংস্থা। প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন সেবাভারতী মহাবিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক প্রণব সাহু। উদ্বোধন করেন সাধু রাম চাঁদ মুর্মু ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক অমিয় কুমার পান্ডা। ছিলেন ঝাড়গ্রাম মহকুমা শাসক বাবু লাল মাহাতো, স্বামী বেদাপুরুষানন্দ মহারাজ, কৃষি অধিকর্তা অনুপম পাল , জৈব কৃষি বিজ্ঞানী অধ্যাপক কাঞ্চন ভৌমিক প্রমুখ। পৌরোহিত্য করেন সেবা ভারতী মহাবিদ্যালয় অধ্যক্ষ দেবপ্রসাদ সাহু । ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন ইউনেস্কো গুয়াংজু অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি এবং প্রধান অতিথি অধ্যাপক মুকুল বাসু। ছিলেন নেপালের প্রাক্তন অধিকর্তা রাজেন্দ্র উপ্রীতি,কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রের অধিকর্তা অধ্যাপক লক্ষ্মীরতন সৎপতি , ভারত সরকারের প্রাক্তন কৃষি অধিকর্তা অধ্যাপক পরিতোষ ভট্টাচার্য, খড়্গপুর আই আই টির প্রাক্তন কৃষি বিজ্ঞানী বিজয় চন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।আন্তর্জাতিক সমাবেশের আয়োজক সম্পাদক তথা ভূগোল বিভাগীয় প্রধান এবং পরিবেশ গবেষণা সংস্থার সম্পাদক অধ্যাপক প্রণব সাহু। তিনি বলেন ঝাড়গ্রাম জেলার টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন ও অধিবাসীদের জীবনযাত্রার মান এবং সুস্থ জীবন গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নে রুপরেখা তৈরি করতে এই ধরনের আন্তর্জাতিক সমাবেশের আয়োজন। অতিমারি সংকট কালে জামবনীর জামডহরি গ্রামটি দত্তক নিয়ে জৈব কৃষি খামার ব্যবস্থা মাধ্যমে স্থিতিশীল ও স্বনির্ভর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কর্মপদ্ধতি আন্তর্জাতিক সমাবেশে তুলে ধরা হয়। গুয়াংজু চোনাম অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে অধ্যাপক মুকুল বাসু ঝাড়গ্রামের প্রান্তিক মানুষের তথা গ্রামীণ উন্নয়নে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ঝাড়গ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞানী ,গবেষক এবং প্রশাসন একসাথে মিলেমিশে আগামী দিনে ঝাড়গ্রাম জেলার সামগ্রিক বিকাশ করা সম্ভব হয়ে উঠবে। স্বামী বেদপুরুষানন্দ মহারাজ স্বামীজীর গ্রামীণ পরিকল্পনার মাধ্যমে ঝাড়গ্রাম জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। কৃষি অধিকর্তা এবং জৈব কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে ,সুস্থ জীবন গড়ে তুলতে জৈব খামার ব্যবস্থার মধ্যে আমাদের কে নিযুক্ত হতে হবে।এই আন্তর্জাতিক ই- সমাবেশে ভারত সহ ছটি দেশ থেকে প্রায় তিন’শ অধ্যাপক, বিজ্ঞানী ,গবেষক, আধিকারিক ও ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেন।
