
গৌরীশংকর মহাপাত্র ;দৈনিক আবেশভূমি: মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।পটাশপুর-২এর ১০ দিন ব্যাপি চলা প্রতাপদিঘী বিদ্যাসাগর গ্ৰামীণ মেলার শেষ হয় মঙ্গলবার। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ৫০০ কে মশারিদান, মেলা উপলক্ষে কয়েক দিন ধরে চলা ৩০টি বিভাগের প্রতিযোগিতার প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়’কে পুরস্কৃত করা সহ রোডরেস প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় তৃতীয়সহ সকল প্রতিযোগীকে সান্তনা পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। স্বর্গীয় ভোলানাথ ও আঙুরবালা পাহাড়ি স্মৃতি সাংস্কৃতিক মঞ্চে সান্ধ্যকালীন পুরস্কার বিতরণীর সূচনা করেন রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যাসাগর সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান প্রদীপ পাত্র,এগরা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীনেশ প্রধান, টিকরাপাড়া হাইস্কুলের প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক সরোজ নারায়ন মিশ্র, শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতের উপ প্রধান ডা: দিলীপ রায়, নাট্য ব্যক্তিত্ব মাধবচন্দ্র মিশ্র, প্রাক্তন শিক্ষক ও নাট্যবিচারক ঈশ্বর পাত্র,সমাজসেবী গণসংগঠক দুর্গাপদ পাহাড়ী ও স্বপন কুমার মাইতি প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন মেলার স্থায়ী সভাপতি প্রাক্তন স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ ডা:সুধাময় মহান্তি। সঞ্চালনায় মেলার কার্যকরী সভাপতি সমবায়ী গোলকের নন্দ গোস্বামী।মেলার সাংস্কৃতিক সম্পাদক উৎপল বিকাশ দাস বলেন দশ দিনের শেষ দিন খারাপ লাগছে এই ১০ দিনের কয়েক মাস ধরে কত রকমের পরিকল্পনা। শেষে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র দাস।