
সঞ্জীব আচার্য্য,ভগবানপুর:-গ্রেপ্তার হওয়া নিরপরাধ আসামীকে নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর থানার সামনে বিক্ষোভ শামিল হয়েছেন প্রচুর বিজেপি সমর্থক। রাতে পশ্চিমবাড় গ্রাম থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছিল ভগবানপুর থানার পুলিশ। তার মধ্যে সুমিত নামের একজন ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র।বাকি দুজনের নাম বিশ্বজিৎ প্রামানিক,লক্ষীকান্ত মাইতি। তারই প্রতিবাদে আজ সকাল আটটা থেকে বেলা বারোটা পর্যন্ত চলে বিক্ষোভ। বিক্ষোভে সামিল হয়েছিল পশ্চিমবাড় গ্রামের মানুষজন সহ ভগবানপুর এর বহু বিজেপি সমর্থক। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাজির হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। শেষ পর্যন্ত জনতার বিক্ষোভের সামনে নতি স্বীকার করলো পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র কে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিল ভগবানপুর থানার পুলিশ।এই বিষয়ে স্থানীয় এক বিজেপি সূত্রে খবর ‘ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র সুমিত গতকাল বাড়ি এসেছিল।কিন্তু সোমবার রাতে বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সুমিত এর বাবা কে না পেয়ে সুমিত কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।যার ফলে উত্তাল হয়ে উঠে গোটা এলাকা’।

অন্যদিকে কাঁথি বিজেপি সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক দেবম পাল বলেন ,’পুলিশ এখন শাসকদলের দলদাসে পরিণত হয়েছে ।তাই শাসকদলের ইন্ধনে বিজেপি কর্মীদের বেছে বেছে মাথ্যা কেস দিচ্ছে ও তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে এবং তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে । আজকে বিজেপি কর্মীরা অনেক সক্রিয় হয়েছে এবং এখন বিজেপি অনেক শক্তি বৃদ্ধি করেছে তাই পুলিশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।আর এই ভাবে বিজেপিকে দমন করা যাবে না’।
অমর ভট্টাচার্য নামের এক বিজেপি কর্মীর বক্তব্য,’বিনা দোষে পুলিশ সুমিত কে তুলে নিয়ে গেছিলো সোমবার রাতে।তখন সে বাড়িতে শুয়ে ছিলো। তাপস বাবু (সুমিতের বাবা) কে না পেয়ে দরজা ভেঙে তাকে গ্রেপ্তার করে।ছেলেটি কোচবিহারের ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র।আজ সকাল থেকে আমরা বিক্ষোভ করার জেরে থানার ওসি ভুল স্বীকার করেছেন।এবং তিনি এটাও বলেন বিনা দোষে ঐ ছাত্রকে তুলে আনা ঠিক হয়নি।পড়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।এই জয়কে নৈতিক জয় মেনে নিলাম।
