প্রদীপ কুমার মাইতি , নন্দীগ্রাম: দিনভর গ্রামে ঘুরে ভোটপ্রচার ও জনসংযোগ করলেন তমলুক লোকসভার বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ নস্কর।বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বিরুলিয়া শীতলা মন্দিরে পুজো দিয়ে ভোটপ্রচার শুরু করলেন তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ নস্কর।

    এ দিন তিনি কর্মীদের নিয়ে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বিরুলিয়া, রেয়াপাড়া, খোদামবাড়ি, মহাগ্রাম, ভীমবাজার, বুড়ির বাজার-সহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ভোটপ্রচার ও জনসংযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ নস্কর।এরপর বিরুলিয়ায় এক কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন করেন।মেনু ছিল পুরোপুরি নিরামিষ। এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিদ্ধার্থ নস্কর বলেন, “মানুষ কতখানি গোপণে কাঁদছিল, আজ তারা প্রকাশ্যে বলে দিয়েছে।

      তাদের ইশারা, ইঙ্গিত, চোখ-সব বলে দিয়েছে তারা কি বলতে চাইছে।” নন্দীগ্রামে রেলপ্রকল্প সম্পর্কে তিনি বলেন, “রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা ব্যানার্জী নন্দীগ্রামে রেল প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন।তাহলে মমতা ব্যানার্জী নন্দীগ্রামে রেলপ্রকল্প চালু করতে পারে নি কেন? কারন এটা হচ্ছে ওর (মমতা) স্ট্র‍্যাটিজি।শুধুই ধোকাবাজি কথাবার্তা।কে যাবে আর কে থাকবে সেটা বলবে জনতা-জনার্দন।ভোটে প্রত্যেক মানুষ বলে দেবে তার মনের কথা কী! তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারীকে তাঁর কটাক্ষ, “এখন উনি কীর্তন গাইছেন।রামনবমীর আসরে গিয়ে উনি (দিব্যেন্দু অধিকারী) রাম পুজো করা শিখেছেন।বিজেপির পক্ষ থেকে উনাকে অশেষ ধন্যবাদ জানাই।

      এইরকম সুমতি যদি বিগত দিন গুলোতে হত তাহলে অন্তত নন্দীগ্রাম-সহ এই জেলার মানুষের উপকার হত।কিন্তু মানুষ তাদের কথা জানিয়ে দিয়েছে।” ময়নার বাগচায় অশান্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ময়নার বাগচায় অশান্তি করছে তৃণমূল।

         

        এখানে ৫০০ ভোট পাবে না তৃণমূল।বাগচায় পুলিশ পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে দিয়েছে।মানুষের বাড়িয়ে অস্ত্র ঢুকিয়ে দিয়ে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করছে পুলিশ।এটা পুরোপুরি সন্ত্রাস।দাউদকে ধরতে এত পুলিশ যায়নি।সেই লাদেনকে ধরতে আমেরিকা সরকার এত পুলিশ পাঠায় নি।সারা গ্রামটা (বাগচা) পুলিশ দিয়ে সন্ত্রাসে ভরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।আবার বাইর থেকে সমাজবিরোধীদের এনে তাদের খাঁকি পোশাক পরিয়ে ও পেছনে একটা বন্দুক ধরিয়ে দিয়ে, কারুর হাতে লাঠি ধরিয়ে দিয়ে ও হাওয়াই চপ্পল পায়ে দিয়ে মোহড়া দেওয়া হচ্ছে।এটা কি চমকানো হচ্ছে।এই চমকানো সারা পশ্চিমবাংলার মানুষ দেখে নিয়েছে।তাই এখন তারা জবাব দিতে শিখেছেন।তারজন্য আমরা কেন্দ্রের কাছে বারবার আবেদন করেছি যে, প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হোক।তখন বিদায় কে নেয় দেখা যাবে!”

        Share

        Leave a Reply

        Your email address will not be published. Required fields are marked *