গৌরীশ‌ংকর মহাপাত্র, এগরা :-যাদের উৎসব অনুষ্ঠানে পাওয়া য়ায় না,বিপদে আপদে যা্রা আসে না,মানুষে মানুষে বিভাজন নিয়ে যারা ব‍্যাস্ত,কে কি খাবে খাবেনা তা নিয়ে এদের খবরদারি, পাঁচটা বৎসর কিছু না করে, মিথ্যা প্রতিশ্রূতি আর ধাপ্পা দিয়ে যারা কাটিয়ে দিল‌। কালো টাকা উদ্ধারের নামে নোট বন্দী করে কার কি লাভ হয়েছে? প্রতি আ্যকাউন্টে ১৫ লক্ষ দেওযার প্রতিশ্রূতি কোথায়? কোনো প্রতিশ্রুতিই পূরন হয়নি।সমস্যা তৈরী ছাড়া সমাধানের পথেএরা কখনো নেই।নোট বন্দীতে গোটা দেশ এদের তামাশা দেখেছে।দিন দিন সাধারণ মানুষ নিজের টাকা তুলতে কিভাবে নাজেহাল হয়েছে।বহু মানুষ কাজ হারিয়েছে, জি এস টির চাপে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিপদজনক অবস্থায়। পাঁচ বছর উন্নয়নের ধারেকাছে নেই ওরা, শুধু মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আর ফাঁকা আওয়াজ।

 

    মুখ‍্যমন্ত্রী সাড়ে সাত বছরে যা করেছে দেশতো দূরের কথা কোন রাজ‍্যো এমন তর উন্নয়ন হয়নি।দিদির কন‍্যাশ্রী আজ বিশ্ব বন্দিত,জন্মালে সবুজশ্রী,মরলে সমব‍্যাথী, বৈতরনী,সবুজ সাথী,রূপশ্রী কত নতুন নতুন প্রকল্প।প্রতি প্রকল্পে বরাদ্দও কোটি কোটি। ওরা দেশের সর্বনাশ করছে, এদের কাছে দেশ,সংবিধান আজ নিরাপদ নয়।ওদের দিল্লি থেকে তাড়ানোর সময় এসেছে। এবার দিল্লির নির্ণায়কশক্তি আসছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে । ২৩ মে দেখবেন রাজ‍্যে ৪২এ আমার জিতেছি।দিদির হাত শক্ত ক‍রতে ও এইএলাকার উন্নয়ন

    অব‍্যা্হত রাখতে শিশির বাবুকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করে তৃতীয় বারের জন্য জয়যুক্ত করুন।

     

       

      শিশির বাবুকে যখন ডাকেন তখন পান।এখানে যারা আছেন তারা কেউ তার ছেলের বা মেয়ের , ভাই বা বোনের, নাতি বা নাতনির বয়সী, আপনাদের প‍রিবারের ভোট শিশিরবাবুর অনুকূলে দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে।
      সিপিএমএর অত‍্যাচার ওসন্ত্রাস পটাশপুর,ভগবানপুর,খেঁজুরি,নন্দীগ্ৰামের মানুষ ভুলতে পেরেনি,সেদিন আর ফিরতে দেওয়া যাবে না,সে দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে। লাল জামা পালটে একদল গেরুয়া পরেছে,লাভের লাভ কিছু করতে পারবে না।তৃনমূলের কেউ কিছু করতে পারবে না,ওরা কেন্দ্র ছাড়া হবে।

       

        পটাশপুর-১ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকে প্রার্থী শিশির অধিকারীর সমর্থনে গোপালপুর পঞ্চায়েতের টেঁপরপাড়া রথমেলা প্রাঙ্গনে এক নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মঙ্গলবার কথাগুলি বলেন রাজ‍্যের পরিবহন ও প‍রিবেশ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বক্তব্য রাখেন রাজ‍্যের প্রাক্তন সমবায় মন্ত্রী বিধায়ক অধ্যাপক জ‍্যোতির্ময় কর, জেলা পরিষদের কর্মাধ‍্যক্ষ মৃনালকান্তি দা্স। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তাপস মাজি।অন‍্যান্যদের মধ্যে ছিলেন পটাশপুর ১ও২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নমিতা বেরা ও চন্দন সাউ,দুই জেলা পরিষদ সদস্য পটল আদক ও টুনিবালা পন্ডিত, সাত পঞ্চায়েত প্রধান প্রভুরাম দাস(গোপালপুর -১),স্বরূপ আদক(অমর্ষি-১),সরস্বতী মাজি ,(অমর্ষি-২)ইরানি মাইতি(গোকুলপুর),দীপক মহাপাত্র(বড়হাট)সহ সমস্ত প্রধান,আহাদ আলী, মুক্তি বেরা,পীযুষ পন্ড সহ সমস্ত কর্মাধ‍্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

         

          প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে কাতারে কাতারে মানুষ সভায় জড়ো হয়।মন্ত্রী এদিন আনু্রূপ সভা করেন ভগবানপুর-১ব্লকের মহম্মদপুর-২পঞ্চায়েতের গোয়ালাপুকুরে। সেখানে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন বিধায়ক অর্ধেন্দু মাইতি ।ছিলেন বিধায়ক আমিয়কান্তি ভট্টাচার্য, দলের ব্লক সভাপতি মদন মোহন পাত্র,পঞ্চায়েত সমিতির দুই সভাপতি প্রনব মাইতি (ভগবানপুর-১)ও অপর্ণা ভট্টাচার্য (চন্ডিপুর), জেলা পরিষদ সদস্য আহমেদ উদ্দিন, গ্ৰামপঞ্চায়েত প্রধান সেক রেজাক(ভগবানপুর), সঞ্চিতা সাহু(মহম্মদপুর-২),নন্দিতা মন্ডল(মহম্মদপুর-১), মায়া রানী চন্দ (বেঁউদিয়া),সহ নয় প্রধান ও উপপ্রধান। প্রতি ক্ষেত্রে উপস্থিতি ছিল নজর কাড়া। গোয়ালাপূকুরের সভায় নাম না করে মন্ত্রী বিজেপিতে যোগ দেওয়া দলত‍্যাগীদের চড়া ভাষায় আক্রমণ করেন ।

          Share

          Leave a Reply

          Your email address will not be published. Required fields are marked *