গৌরীশংকর মহাপাত্র :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর:করোনা ও আমফান আমাদের শিখিয়েছে প্রকৃতিকে বাঁচাতে। প্রকৃতি কে বাঁচানো আমাদের কম্মো নয়, ওই কাজটা প্রকৃতির নিজের, পরিচর্যা ও যত্ন নেওয়া আমাদের। তাই এই কটি গাছ লাগিয়ে প্রকৃতিকে স্বাভাবিক করে দেওয়ার কথা বলা শুধু সত্যকে অস্বীকার করা ছাড়া আর কিছু না। মানুষ হয়ে প্রকৃতির কাছে আমরা ঋণী সে কথা অস্বীকার করার নয়। সেই ঋণের সামান্য হলেও পরিশোধ করা আমাদের কর্তব্য।

    আমাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রকৃতি তার যে ভান্ডার আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে তাকে সুরক্ষিত করার আপ্রাণ চেষ্টা আমাদের করা উচিৎ। কিন্তু মানুষ প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। সে চায় সব কিছুতে ভোগ বসাবে। প্রতিনিয়ত সে প্রকৃতির সবকিছুর উপর অন্যায় অত্যাচার করে চলেছে। প্রকৃতি বার বার সেই অন্যায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেও অহংকারী মনুষ্যকূল তা মানতে অনিচ্ছুক। কিন্তু এখনো কিছু মানুষ আছেন যারা প্রকৃতির কাছে তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হটকারিতার করেন না। প্রতাপদীঘির ‘এসো বাঁচি’ সেচ্ছাসেবী সংস্থা সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে মাঠে নামল। শুক্রবার বিশ্ব পরিবেশ দিবসে তারা কয়েক জন বিদ্যাসাগর মহাশয়ের ২০০ তম জন্ম বর্ষে বর্ষ ব্যাপী যে কর্মসূচি গ্রহণ করাছে। সেই উদ্যেশ্যে ২০০ টি বট ও অশ্বত্থ গাছ এবং ১৮২০টি দেশীয় চারা গাছ লাগানোর কর্মসূচীর অঙ্গ হিসেবে গতবছর প্রায় ১০০০ মতো দেশীয় গাছ এবং প্রায় ৭০ মত বট ও অশ্বত্থ গাছ লাগিয়ে ছিল।এবছর সেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করার উদ্যোগী হয়। শুধু গাছ লাগাল এমনটি না এই কাজের সঙ্গে যুক্ত করল পথ চলতি বিভিন্ন সম্প্রদায়, বিভিন্ন বয়সী, বিভিন্ন জীবিকার নারী পুরুষকে। তাদের এই কাজ তখনই স্বার্থকতা পাবে যদি গাছ গুলো সুন্দর ভাবে বড় হয়। তাই স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসন এর কাছে তাদের বিশ্বপরিবেশ দিবসে বিনীত নিবেদন যেন গাছগুলো কোনো ভাবেই কেটে ফেলা বা নষ্ট করা না হয়।

    Share

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *