
গৌরীশংকর মহাপাত্র :এগরা কাঁথি পূর্ব মেদিনীপুর।
দেশজুড়ে দীর্ঘদিন লকডাউন চলেছে করোনা সংক্রমণের জেরে। বর্তমান আনলক ওয়ানের পথেও হাঁটছে দেশ। কনটেনমেন্ট জোন ছাড়া নিয়মকানুন সর্বত্র অনেকটাই শিথিল। খুলেছে অফিস,আদালত, ধর্মস্থানের দরজাও। মান্দারমনির পর এবার বৃহস্পতিবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দীঘা ও শঙ্করপুরের হোটেলের দরজাও খুলছে। বুধবার বিকেলে পরিচালন কমিটির এমনই সিদ্ধান্ত। পর্যটকদের প্রবেশপথেই থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা, পর্যটকের ব্যাগপত্র সবই হবে স্যানিটাইজ। হোটেল রুম সংখ্যা যা হবে তার অর্ধেক ভাড়া দেওয়া হবে। একজন পর্যটক চেক আউট করার পর সেই ঘরও স্যানিটাইজ করা হবে। সেই সময় অন্য ঘরে থাকতে দেওয়া হবে অন্য পর্যটককে। তাছাড়া হাতে গ্লাভস, মুখে মাস্ক অত্যাবশ্যক।
১৫ জুন থেকে খুলছে তাজপুরের হোটেল। এখনই সিদ্ধান্ত নেয়নি দিঘার হোটেল কর্তৃপক্ষ। করোনার ধাক্কা সামাল দিয়ে পর্যটন শিল্প কী ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারবে,এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে হোটেল ব্যবসায়ীদের মনে।
দীঘা শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত পাত্র বলেন, এই মুহূর্তে প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে আগামীকাল থেকে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ৩০ শতাংশ হোটেল খোলার।
