
গৌরীশংকর মহাপাত্র :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর: ১৫ ই জুন সোমবার দেশপ্রাণের পেঁটুয়াঘাট মৎস্য বন্দরে স্পেশাল অফিসার অরিন্দম ব্যানার্জির কাছে আইএনটিটিইউসি পক্ষ থেকে প্রতিলিপি জমা দেওয়া হয়। অরিন্দম বাবুর অনুপস্থিতিতে শুভদীপ বেরা ডেপুটেশন গ্ৰহন করেন। ডেপুটেশনের নেতৃত্বে ছিলেন আইএনটিটিইউসি সভাপতি দেবাংশু মাইতি, রাজেশ অধিকারী ,পেঁটুয়াঘাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি অজয় সাহু, সহ-সম্পাদক বিজন শীট, শুটকী ব্যবসায়ী সমিতির পবন মাইতি, লক্ষ্মণ শেঠ সুধীর ভূঁইয়া,মিন্টু ঘোষ প্রমুখ। তাদের দাবি যে সমস্ত শ্রমিকরা টলার মেরামত এবং জাল সারাই করতে আসেন তাদের উপযুক্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার অনুমতি দিতে হবে, বাইরের জেলার থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হচ্ছে এখানে যারা কাজে আসবেন সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। শুধু থার্মাল স্পিনিং নয় লালার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে ।রিপোর্ট আসার পর পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তার আগে তাদের কাজে নামার অনুমতি দেওয়া যাবে না। আগামী জুলাইতে যদি ফিশিং শুরু হয় তাহলে ট্রলার মেরামতি কিংবা জাল সারাইর কোন কাজই এখুনি শেষ করা যাবেনা তাই অন্তত আরো একমাস সময় দিতে হবে। এদিন ট্রলার মালিকরা জানান তারা ডেপুটেশন দিতে গিয়ে দেখেছেন পেঁটুয়াঘাট এর কাছে অধিকাংশ ট্রলারের সমুদ্রযাত্রার কোন প্রস্তুতি নেই। তাই ১৫ দিনের মধ্যে কি করে ট্রলার সারানো ও জাল মেরামতি করা সম্ভব? ট্রলার মেরামতি এবং জাল সারাই দুটো কাজই বাইরের শ্রমিকরা করেন। সরকারি স্বাস্থ্য বিধি মেনে মৎস বন্দর চালু হলে তাদের কোন আপত্তি নেই। পরিকাঠামো তৈরীতে অন্তত এক মাস সময় দেওয়া হোক। স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ডেপুটেশনে অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জানান আয়োজক সংস্থার সভাপতি দেবাংশু মাইতি।