
গৌরীশংকর মহাপাত্র :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর। উপস্থিত দলের জেলা যুব সহ সভাপতি সন্দীপ পাত্র জানান যুব শক্তিকে দলে সংযুক্তির ক্ষেত্রে প্রদেশ নেতৃত্ব অন লাইনে মেম্বারশীপ ইতিমধ্যে চালু করেছেন, বিধানসভা ভিত্তিক লক্ষ্য মাত্রাও বেঁধে দিয়েছেন। আমাদের আশানুরূপ সদস্য সংখ্যা ইতিমধ্যেই টার্গেটের কাছাকাছি। অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান স্নেহলতা বর,বিবেকানন্দ পঞ্চায়েত প্রধান রাজনারায়ন মান্না, ব্লক যুব সভাপতি স্বপন পাত্র প্রমুখ। সভায় পৌরোহিত্য করেন দলের অঞ্চল সভাপতি তথা পঞ্চায়েতের উপ প্রধান আলোক মহাপাত্র। সাংগঠনিক সভার আগে কেঁউটগেড়্যা ব্রীজের কাছে একটি বিশ্রামাগারের ফিতা কেটে দীপজ্বেলে উদ্বোধন করেন এলাকার জনপ্রিয় বিধায়ক সমরেশ দাস। এলাকার মানুষের স্বাচ্ছন্দের কথা ভেবে বিধায়ক তহবিলের ১লক্ষ ৭৮হাজার টাকা ব্যয়ে এই বিশ্রামাগারের উদ্বোধন বলে জানান সভার সভাপতি। লকডাউনের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এই সভা সুসম্পন্ন করায় উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান সভার সভাপতি শ্রী মহাপাত্র।২৬শে জুন শুক্রবার এগরা -২এর কেঁউটগেড়্যায় দেশবন্ধু অঞ্চল তৃণমূলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার মুখ্যবক্তা বিধায়ক সমরেশ দাস সাংগঠনিক আলোচনায় উপস্থিত ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত সদস্য সদস্যা ও বুথ সভাপতিদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পর্যালোচনার পাশাপাশি করোনা ও আম্ফান পরবর্তী পর্যালোচনা ও পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা করেন। দুই বিপর্যয় পরবর্তী মানুষের কল্যাণে তৃণমূল সরকার ও দল কি কি পদক্ষেপ নিয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা করেছে , পুনর্গঠনের প্রকল্প গুলির সুবিধা এবং তা পাওয়ার পদ্ধতি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানোর পরামর্শ দেন।মানুষের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার পরামর্শদেন। কোনো কোন দলীয় কর্মীকে আরও শতর্ক ও যত্নবান হওয়ার কথা বলেন। কয়েকদিন ধরে বিধানসভা ক্ষেত্রের অঞ্চল ভিত্তিক মনিটরিং সভায় বিধায়ক সহজেই বুঝিয়ে দেন কর্মীদের সক্রিয়তায় দলে গতি আসতে বাধ্য। আর সে কারণেই কর্মীদের পারফরম্যান্সের উপরও জোর দেন। করোনা প্রশ্নে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গুলিতে গিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিতে বলেন। আম্ফান পরবর্তী ত্রাণ বন্টনে যোগ্য ব্যক্তি যাতে বঞ্চিত না হয় সে বিষয়ে শতর্ক করেন। পুনর্গঠন নিয়ে বিরোধীদের অপপ্রচার মোকাবেলায় দলের যুবশক্তিকে মাঠে নামতে বলেন।