
প্রতিবেদক: গৌরীশংকর মহাপাত্র
প্রখ্যাত সাংবাদিক ও লেখক প্রসার ভারতী পর্ষদের চেয়ারম্যান নিখিল চক্রবর্তী আজ মৃত্যু দিন।১৯৯৮এর ২৭ শে জুন আজকেরদিনে মস্তিষ্কের ক্যানসারে তাঁঁর জীবনাবসান।
১৯১৩ এর ৩রা নভেম্বর আসামের শিলচরে তাঁর জন্ম। পিতা কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজীর অধ্যাপক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, মা বেথুন কলেজের প্রথম দিকের স্নাতক শৈলজা দেবী। স্ত্রী বিধান রায়ের ভাতুষ্পুত্র সাধনা রায়ের কন্যা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রেনু চক্রবর্তী। ছেলে সুমি চক্রবর্তী।
১৯৪৩এ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করতে করতে কমিউনিস্ট মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হওয়া, অক্সফোর্ড থাকাকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সদস্য পদগ্ৰহন, তিনি একমাত্র ভারতীয় সাংবাদিক যিনি চীন পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে গিলগিট অঞ্চলে গঠিত কোরাম হাইওয়েতে গেছিলেন। কলকাতায় ফিরে সিপিআই রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া। পরে কমিউনিস্ট পার্টি বিভাজিত হলে তিনি আমৃত্যু সিপিআই থেকে যান ।১৯৫৭ খ্রীস্টাব্দে চালু করেন ” দ্যা ইন্ডিয়ান প্রেস এজেন্সী” নাম একটি সংবাদ সংস্থা। ১৯৬২তে প্রকাশ করেন “মেইনস্ট্রীম” নামে একটি সাপ্তাহিক ।১৯৭৫ এ জরুরী অবস্থার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বিশেষ মর্যাদা দান করে। ইন্দিরা গান্ধী যখন সঞ্জয় গান্ধীকে রাজনীতিতে প্রজেক্ট করছেন তখন ‘স্প্রিং চিকেন’ বলে এর তীব্র সমালোচনা করে ইন্দিরার রোষানলে পড়েন। ১৯৯০ সালে ভারত সরকার তাকে “পদ্মভূষণ” উপাধিতে সম্মানিত করলেও এই দৃঢ় চেতা সাংবাদিক তা প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বিশ্বাস করতেন কোন সাংবাদিকের সরকারের কোন খেতাব গ্রহণ করা সমীচিন নয়। এতে সরকারের বিরোধিতা করা নৈতিকতায় আটকায়।
তথ্যসূত্র : ১)প্রতিদিন জন্মদিন মৃত্যুদিন
এবং :- বীরকুমার শী
২)ইউপিডিযা
