
গৌরীশংকর মহাপাত্র :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর।দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাজ্যেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।আক্রান্তের অধিকাংশই বাইরের রাজ্য থেকে আসা শ্রমিক।বিশেষ করে মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা, দিল্লি থেকে ফেরা শ্রমিকদের দেহেই পাওয়া গিয়েছে করোনার অস্তিত্ব ।নতুন করে জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়ছে হু হু করে। করোনা আক্রান্ত হলেও অনেকেই ইতিমধ্যে সুচিকিৎসা পেয়ে সুস্থ হয়ে নিজের বাড়ি ফিরছেন।তবে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় করোনা চিকিৎসাকেন্দ্র হাতে গোনা মাত্র ২টি। দিনে দিনে রাজ্যের পাশাপাশি জেলায়ও করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ায় চিন্তিত প্রশাসন। সব চিন্তা কাটিয়ে করোনা চিকিৎসা কেন্দ্র বাড়াতে রাজ্য থেকে জেলা স্বাস্থ্য দফতর ইতিমধ্যে মাঠে নেমে পড়েছেন। কাঁথির রূপশ্রী বাইপাসে সঞ্জীবন বেসরকারী হাসপাতাল ৭০শয্যার করোনা হাসপাতাল হিসেবে চালুর অপেক্ষায়।বুধবার সঞ্জীবন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের করোনা রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ হয়। এবার প্রশাসন রোগী পাঠালেই সঞ্জীবন হাসপাতাল করোনা রোগীদের ভর্তি নেওয়ার জন্য প্রস্তুত সেটা আজ বা কাল যে কোন সময়ে।কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডঃ সব্যসাচী চক্রবর্তী জানান সঞ্জীবন হাসপাতাল করোনা রোগীদের ভর্তির জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি শেষ। কাঁথি পৌর প্রশাসক প্রধান সৌমেন্দু অধিকারীও জানান সঞ্জীবন হাসপাতালের পরিকাঠামো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার উপযোগী করে তোলা হয়েছে।
তবে পূর্ব মেদিনীপুরের করোনা আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য কাঁথি শহরে নতুন কোভিড হাসপাতাল হওয়ায় খুশি জেলাবাসী।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক নিতাই চন্দ্র মণ্ডল জানান, করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য মূলত পাঁশকুড়া বড়মা হাসপাতাল ও চন্ডীপুর হাসপাতালেই নিয়ে যাওয়া হোত। কাঁথি হওয়ায় জেলার চাপ কমবে।
