
দৈনিক আবেশভূমি ডেক্স :এগরা কাঁথা :পূর্ব মেদিনীপুর। অালু,বেগুন, পটল,মূলো,টমেটো, কাঁচালঙ্কা,শাকসবজী র বাজার অাগুন।করোনার লকডাউন জনিত কারণে কর্মহীন মানুষের নাকালের শেষ নেই। রাজ্যসরকার ব্যবসায়ী,অাড়তদার,ফড়ে ও হিমঘর মালিকদের কাছে অাত্মসমর্পণ করেছে। রাজ্যের টাস্ক ফোর্সের কর্তাদের একটা অংশ হলেন বড় ব্যবসায়ীরা।প্রথমে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরী করে অালু সহ শাকসব্জী ও অানাজপত্রের দাম লাগামছাড়া করিয়ে নেন।পরে বৈঠকে বসে একটু কম করে সরকারী দাম নির্ধারিত করে দেন।অথচ অালু সহ শাকসব্জী’র দাম সরকার নির্ধারিত দামের বেশীতেই বিক্রি হয়। নবান্নের হাঁকডাক ই কেবল সার,মানুষের দুর্ভোগের অন্ত নেই।চন্দ্রকোনা, গড়বেতা,সিঙ্গুর সহ বিভিন্ন অালু চাষের এলাকা থেকে ক্ষেতের অালু চাষীদের কাছ থেকে কেজি পিছু ৭-৮ টাকা করে হিমঘর মালিক ও ব্যবসায়ীরা কিনে মজুত করেন।তখন অালুর দাম খুচরো বাজারে কেজি পিছু ১৪-১৫ টাকায় বিক্রি হত।পরে পরে লকডাউন কে সামনে রেখে অালুর যোগানে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরী করে অালু দাম বাড়াবার প্রক্রিয়া চলতে থাকে।এখন অালুর দাম বেড়ে কেজি পিছু ৩০-৪০ টাকা( বিভিন্ন ধরনের) পর্যন্ত হয়েছে। মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত করতে টাস্ক ফোর্স জ্যোতি অালুর সরকারী দাম কেজি পিছু ২৫ টাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। সুফলা মারফত কৃষি বিপণন দপ্তরের উদ্যোগে সেই জ্যোতি অালু বিক্রি হচ্ছে। যে অালু ক্ষেতে চাষীর কাছ থেকে ৭ -৮ টাকা কেজি পিছু হিমঘরের মালিকরা মজুত করলেন।মরশুমে যে অালু ১৪-১৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হল সেই অালু মজুতদার অার কালোবাজারিদের যোগসাজশে ও সরকারী তকমায় এক লাফে কেজি পিছু এখন ২৫ টাকা।অালু চাষীরা ন্যায্য সংগ্রহ মূল্য থেকে বঞ্চিত। সাধারণ মানুষের স্বার্থ দেখার কোন গরজ সরকারের নেই।হিমঘরের মালিক, অাড়তদার,কালোবাজারিরাই সরকারী দামের নির্ধারক।বিড়ালকে মাছ পাহারার দায়িত্ব দিলে যা হয় তাই হচ্ছে। কৃষি বিপণন দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কর্তা এখন মজুতদাররা।মানুষ কে বোকা বানিয়ে দাম উচ্চহারে বাড়িয়ে সরকারী ভাবে একটু কমিয়ে দেওয়ার খেলা অব্যাহত।সিপিঅাইএম নেতা তথা মামুদ হোসেন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে অবিলম্বে অালুর সরকারী দাম কেজি পিছু ১৮-২০ টাকা ও অন্যান্য অানাজপত্র, শাকসব্জী ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে লাগাম টানতে কড়া প্রশাসনিক ব্যবস্হা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। মামুদ বাবু আরও বলেন রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থ দেখার পরিবর্তে হিমঘর মালিক ও বড় ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করছে।