
দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর।। দেশপ্রাণের মগরাবেসিন এলাকার অযোধ্যাপুর,ফুলেশ্বর, গোটসাউরী, কাজলা, সটিকেশ্ব র, অযোধ্যাপুর, মৈশামুন্ডা প্রভৃতি গ্রামের নীচুজমিতে অামফান দুর্যোগের পর থেকে জল জমে অাছে।বর্ষার জল সমস্যা’কে অারো বাড়িয়ে তুলছে।মগরাখালের উপর কামারবেড়িয়া পুল নির্মাণ করতে গিয়ে মাটির বাঁধের অবরোধের কারণে পর্যাপ্ত জল নিষ্কাশনের অভাবে এই বিপত্তি প্রথম থেকে রয়েছে। পরে অবশ্য কামারবেড়িয়াতে কিছুটা অবরোধ অপসারণের পরে মগরাখালের দুই পাড়ের জমিতে জমা জল কিছুটা হলেও কমে।কিন্তু সরদা অঞ্চল সহ সংলগ্ন এলাকায় কাঁথি -রসুলপুর রাস্তার উভয়দিকে নীচু জমিতে জমা জল পর্যাপ্ত পরিমাণে নিষ্কাশিত না হওয়ায় জলাজমি’র আকার নিয়েছে। কোথাও হাঁটু আবার কোথাও কোমরসমান জলে ঘাস, কচুরিপানা ও শালুক ফুলের অবাধ বংশবৃদ্ধি। অত্যধিক জমা জলে চাষীরা বীজতলা ফেলতেই পারেন নি।হাজার হাজার একর জমিতে জমা জলে চাষের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। গোদের উপর বিষ ফোঁড়া র মত জমা জলে দূষণের শিকার হয়েছেন সাধারণ গ্রামবাসীরা।মশার উপদ্রবে মানুষের প্রাণ ওষ্ঠাগত। করোনা ও ডেঙ্গুর জোড়া ফলায় মানুষ থরহরি কম্পমান। জমাজল নিষ্কাশনের জন্য সেচ দপ্তর ও।পঞ্চায়েত কর্তাদের কোন হেলদোল নেই। জলদূষণ রোধে স্বাস্থ্য দপ্তরের সম্পূর্ণ উদাসীন।এই সব এলাকায় চাষ হলে চাষীদের মুখে যেমন হাসি ফুটত তেমনি ক্ষেতমজুর দের কপালে
কাজও জুটতো।

