
দৈনিক আবেশভূমি ডেক্স :এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপুর। এখন মতিভ্রম অবস্থা পশ্চিম বঙ্গ রাজ্য সরকারী কর্তাদের। সিদ্ধাতহীনতার মাশুল গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। লকডাউন নিয়ে তাই সরকারী নির্দেশিকা ৬ ঘন্টায় ৩ বার বদল।মিড-ডে মিল নিয়ে সরকারী তুঘল কিপনার শেষ নেই। ১৫ দিনে ৩ বার জারী আদেশ নামা।প্রথমে হল অাগষ্ট মাসে পড়ুয়া পিছু ২ কেজি চাল,২ কেজি অালু,২৫০ গ্রাম ডাল, ১০০ গ্রাম সোয়াবিন ও একটি সাবান দেওয়ার। পরের নির্দেশিকায় হল ২ কেজি চালের সঙ্গে ১ কেজি অালু, ১ কেজি ছোলা ও একটি সাবান।গত জুলাইতে পড়ুয়া পিছু স্যানিটাইজার সরকারীভাবে স্কুল সমূহ কে দেওয়া হয়।প্রথমে কেজি পিছু অালুর জন্য ২৬ টাকা বরাদ্দ করা হয়।এখন অবশ্য দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি র পরিপ্রেক্ষিতে কেজি পিছু অালুর জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৮ টাকা।যদিও বাজারে কেজি পিছু অালুর দাম ৩০ – ৪০ টাকা।অালু সহ শাকসব্জী – অানাজপত্র ও নিত্যপ্রয়েজনীয় দ্রব্যের অগ্নিমূল্যের প্রেক্ষাপটে রাজ্য সরকারের কৃষি বিপণন দপ্তর ও টাস্ক ফোর্স অালুর দাম বেঁধে দেওয়া হয় কেজি পিছু ২৫ টাকা।সুফলা স্টল থেকে জ্যোতি অালু কেজিতে ২৫ টাকায় বিক্রির ঢাকডোল পেটানো হয়।টাস্ক ফোর্স স্বীকার করে হিমঘরের মালিক, মজুতদার, ফড়ে ও বড় অাড়তদার দের যোগসাজশে অালুর কালোবাজারি ও অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধির জন্য দায়ী।অালুর উৎপাদন ও মজুতের মধ্যে কোন ঘাটতি নেই। সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন শিক্ষা দপ্তরের প্রধান সচিব কে ই-মেইল বার্তায় বলেন রাজ্য সরকারের অালুর দাম কমানোর সদিচ্ছাই নেই।সরকার কেজি পিছু অালুর দাম ২৫ টাকা বেঁধে দিয়েছেন। অথচ সরকারী নির্দেশকিয়ায় কেজি পিছু অালুর দাম ধরা হয়েছে ২৮ টাকা।সরকার অালুর দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য কেজি পিছু ২৫ টাকায় সরকারীভাবে সরবরাহ করলে বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণের সুবিধা হত।প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক এই বাম নেতা জানান সরকারের সাথে অালু সিন্ডিকেটের যোগা সাজসের জন্যই দাম কমানোর কোন সদিচ্ছাই নেই।


আলুর দাম নিয়ে মিড-ডে-মিলের সরকারী নির্দেশিকার কোনো পরিবর্তন হয়নি, এতে বিভ্রাটের কিছু নেই।
সরকার নির্দেশিকা পরিবর্তন করলেও তা ব্লক স্তর কিংবা S.i. office স্তরে ঐ নির্দশিকা আসেনি; তাই শিক্ষকদের হাতে ঐ নির্দেশিকা যে মাধ্যম থেকেই পান-না কেন তা সরকারী শিক্ষা দপ্তর কিংবা মিড-ডে-মিল দপ্তরের পক্ষথেকে মাষ্টার মশাইদের কোনো প্রকার বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেনা।
উনি প্রাক্তন শিক্ষক তাই হয়তো জানেন না।