
গৌরীশংকর মহাপাত্র: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। বুধবার ভারতীয় জনতা পার্টি কাঁথি সাংগঠনিক জেলার রামনগর-২ পূর্ব মন্ডলের, হলদিয়া -২ অঞ্চলের অর্জুনীতে ভারতীয় জনতা পার্টির বুথ সভাপতি পূর্নচন্দ্র দাস ( ৪৪)এর অস্বাভাবিক মৃত্য হয়।বুধবার সকাল থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। বিকাল ৩- ৪টা’র মধ্যে স্থানীয় পান বোরোজে তার ফাঁসে ঝোলানো মৃত দেহ স্থানীয়রা দেখতে পায়।প্রসঙ্গত বুথ সভাপতি পূর্নচন্দ্র দাসকে এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা গতকাল ডেকে পাঠিয়েছিল,কিন্তু তিনি তাদের ডাকে যাননি,এমতপরিস্থিতিতে আজ সকাল থেকে উনি নিখোঁজ হন এবং বিকালে পান বোরোজে ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়।এই ঘটনায় পরিবারের লোকজন এবং এলাকাবাসীরা তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরাসরি খুনের অভিযোগ এনেছেন। এবিষয়ে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী বলেন-“রাজ্য জুড়ে শাসকদলের নেতৃত্বে ‘পুরুলিয়া মডেল’ নামে এক নতুন শিল্পের চাষ হয়েছে। সক্রিয় বিজেপি কর্মীদের মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া ও পরে সুইসাইড কেস বলে চালানো। রাজ্য জুড়ে তৃণমূল নিকৃষ্ট, ঘৃণ্য এবং বর্বর শাসন কায়েম করেছে রামনগরের এই নৃশংস বর্বরতা তার নজির।”
এবিষয় যাদের দিকে এই অভিযোগ সেই দলের স্থানীয় বিধান সভার কো-অর্ডিনেটর তথা বিধায়ক আখিল গিরি বলেন-“ভারতীয় জনতা পার্টির এই অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে।আমাদের এ পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক সংঘর্ষ রামনগর বিধানসভায় হয়নি বা কোন রাজনৈতিক খুনের ঘটনা ঘটেনি।এমন কোন ঘটনার সাথে তৃণমূল কংগ্রেস জড়িত নয়।এই বিধানসভায় ভারতীয় জনতা পার্টির এমন কোন শক্তি নেই যে আমাদের সঙ্গে রাজনৈতিক শত্রুতা ঘটবে।তবে যেকোনো খুন নিন্দনীয়। ভারতীয় জনতা পার্টির দলীয় কর্মীর খুনে তৃণমূল কংগ্রেস কোনোভাবেই জড়িত নয়।” রামনগর পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে আসল ঘটনা কি; দাবি রামনগর পুলিশের।
