
দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক: এগরা কাঁথি :পূর্ব মেদিনীপর। কেন্দ্র ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক অাধিকারিক সহ অন্যান্য নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধান স্বীকৃত ইউ পিএস সি ও পিএস সি রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অাধিকারিক অাইএএস ও সহায়ক ক্যাডার নিয়োগের জন্য ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক অাধিকারিক ডবলু বিসিএস ও সহায়ক ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস কমিশন।দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রশাসনিক কর্তাদের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নিয়োগের উপর কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক মেরুদণ্ড দাঁড়িয়ে আছে। এই সব সাংবিধানিক নিয়োগ কমিশন অাধা বিচারবিভাগীয় ও রাজনীতি বর্জিত গুনীজনদের নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে।সম্প্রতি রাজ্যে পিএসসি -র বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ নিয়ে বিতর্কে রাজ্য তোলপাড় চলছে। ইংরেজি মিডিয়াম মডেল মাদ্রাসায় ভূগোল শিক্ষক -শিক্ষিকা নিয়োগ প্রশ্নে পিএসসি র ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।রাজ্য পিএসসি’র অন্যতম সদস্য হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ ও অধুনা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কোর কমিটির সদস্য ডঃ মৃগাঙ্ক মাহাত।প্রশ্ন উঠেছে পিএসসি’র মত অাধা বিচারবিভাগীয় ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক সংস্হায় শাসক দলের রাজ্য নেতৃত্ব থাকেন কি করে? এতে পিএসসি’র নিরপেক্ষতা ও রাজনীতি করনের অপপ্রয়াস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিপিঅাইএম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফ অাই -র নেতৃত্বে পিএসসি’র কোলকাতার অফিসের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচী রূপায়িত হয়। সিপিঅাইএম নেতা মামুদ হোসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়ে অবিলম্বে শাসকদলের রাজ্য নেতৃত্ব কে পিএসসি থেকে অপসারণ ও পিএসসি’র সাংবিধানিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার রক্ষাকবচ গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন পিএসসি’র নিয়োগ নিয়ে মেধা,নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে না পারলে প্রশাসনিক কাঠামোর উপর মানুষের অাস্হা ও বিশ্বাস হারিয়ে যাবে। শাসকদলের ক্যাডার দের নিয়োগ হলে প্রশাসনের রাজনীতিকরন পূর্ণ মাত্রা পাবে।গনতন্ত্রে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা জরুরী বলে জানান।
