গৌরীশংকর মহাপত্র: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর।।                                                  আজ শুক্রবার পটাশপুর-২এর খাড় হাইস্কুলে যথাযথ মর্যাদায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের-৮০তম প্রয়াণ দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হয় কবির প্রতিকৃতিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কমল কুমার পন্ডার মাল্যদানে। ছিলেন বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক উত্তম কুমার পাত্র,রঞ্জন প্রধানসহ সমস্ত শিক্ষক, মঞ্জু মুনিয়ানসহ সমস্ত শিক্ষিকা, পার্থ দাস মহাপাত্র ও কেদারনাথ মাইতিসহ সমস্ত পার্শ শিক্ষক, মুক্তিপদ মালিক সুকুমার পন্ডা সহ সমস্ত শিক্ষা কর্মী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রী। কবিগুরুর ৮০মত প্রয়াণ দিবসে

    স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক বলেন ১৯৪১এর বাইশে শ্রাবণ বেলা ১২-১০মি: কবিগুরু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ঐদিনের প্রত্যক্ষদর্শীদের চোখে “গুরুদেবের বুকের উপরে রাখা হাতের মাঝে একটি পদ্মকোরক দেখে মনে হয়েছিল রাজা ঘুমোচ্ছেন রাজ শয‍্যার উপর।” মানুষের জীবন পথ “শুধু চলার পথ; ফেরার পথ নয়,” লিপিকা’য় লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ। তিনি যেন ভারত আত্মার মূর্ত প্রতীক। বৈদিক ঋষির মতো ছিল তার অনন্ত প্রজ্ঞা, বাল্মিকী, বেদব্যাস- কালিদাসের মতো ছিল তাঁর লোকোত্তর কবি প্রতিভা। আর ছিল গ‍্যেট- টলস্টয়ের মতো তার সুগভীর সমাজ চেতনা। সুন্দরের আরাধনায়, মানবতার পূজায় তিনি তাঁর পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের প্রদীপ জ্বেলে যেন আরতি করে গেছেন আজীবন। যে গভীর স্পর্শকাতরতা, যে নিবিড় বিশ্বাত্মবোধ এবং স্থির ঈশ্বর চেতনা তার কাব্য সাহিত্যকে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্থাপন করেছে সেই নিবিড় রবীন্দ্রনুভূতির অনুসঙ্গ পেতে আমাদের সেই রবীন্দ্র তীর্থে যাত্রা করতে হবে। কবির ভাষায়” যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, আমি বাইবো না আমি বাইবো না মোর খেয়া তরী এই ঘাটে গো।”অতি মারির দিনেও

      সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান প্রধান শিক্ষক শ্রী পন্ডা।

        Share

        Leave a Reply

        Your email address will not be published. Required fields are marked *