গৌরীশংকর মহাপাত্র: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর।।                                       পটাশপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত সদস্য নীলমাধব দাস অধিকারী।১৫ই জুলাই এগরা মহকুমা শাসক অপ্রতীম ঘোষ’কে লিখিত ভাবে তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য থেকে অব‍্যাহতি চান। সেইমত গতকাল ১৩ই আগস্ট বিডিও পটাশপুর -২ মধুবালা নন্দী হিন্দী তার শুনানি নেন এবং আবেদন পত্র অনুমোদন করেন। প্রসঙ্গত পঁচেট পঞ্চায়েত এলাকাধীন পিএস -৭ আসনে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত নীলমাধব বাবু। তিনি ঐ অঞ্চলের দলীয় সভাপতিও বটে। এ বিষয়ে

    নীলমাধব অধিকারীকে জানতে চাইলে তিনি বলেন নিজের দলের পঞ্চায়েত সভাপতির সভাপতি চন্দন সাউ মহাশয় কোনরকম আলোচনা ও মিটিং ডাকেন নি। পটাশপুর -২ পঞ্চায়েত সমিতিতে বিগত দুই বছর ধরে কোন মিটিং ডাকেন নি বিডিও। সভাপতি ও বিডিও দু জনেই সবকিছু করছেন। আম্ফান ঝড়ের মতন এমন বিপর্যয়েও নিজের এলাকার বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে কোনরকম পরামর্শ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নেননি, এলাকার বঞ্চিত মানুষের ক্ষোভ কেবল পুলিশ দিয়ে সামলানো কি সম্ভব ? নির্বাচিত সদস্য হয়েও এলাকার মানুষের বিপদে দাঁড়াতে পারব না, দলে থেকে প্রতিবাদ করাও যাবে না। সদস্য হয়ে মানুষের কাছে নিজেকে হাস্যাস্পদ করতে করতে চাইনি তাই পদত‍্যাগ।এ বিষয়ে পটাশপুর

      -২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ইউনিট-১এর সভাপতি তথা জেলা পরিষদের বন ওভূমি কর্মাধ্যক্ষ মৃনাল কান্তি দাস কে জানতে চাইলে তিনি জানান-নীলমাধব দাস অধিকারী মত দলীয় কর্মীর পদত্যাগ দুঃখজনক।আমি বিষয়টি জানার পর কাল পর্যন্ত নীলমাধব বাবুকে পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ করেছি ,সাত দিনের মধ্যে বসে আলোচনায় সমাধানের আশ্বাস দিিয়েছি‌,এমনকি দলের প্রবীণ সদস্য তাপস বেরাকে পাঠিয়ে পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছি।আপনার মুখেই জানলাম হেয়ারিং এর আগে  সে পদত্যাগ পত্র প্রত্যাহার করেনি।এ বিষয়ে যার

        বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর সেই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কে ফোন করে না পাওয়ায় তার মতামত জানা যায়নি

        Share

        Leave a Reply

        Your email address will not be published. Required fields are marked *