গৌরীশংকর মহাপাত্র: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। আজ সোমবার ভোর ৪.১৫তে কলকাতার বেসরকারি হাসপাতাল আমরিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এগরার তিন বারের বিধায়ক তথা বলাগেড়িয়া কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাঙ্কের দীর্ঘ সময়ের চেয়ারম্যান সমরেশ দাস। ১৮ই জুলাই শনিবার করোনায় আক্রান্ত বিধায়ক পাঁশকুড়া বড়মা হাসপাতালে ভর্তি হন, তারপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। খবর সেখানে তিনি করোনা মুক্ত হয়ে অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় স্থানান্তরিত হন আমরি হাসপাতালে। সেখানে ভেন্টিলেশনে ছিলেন ক্রমশ শারীরিক সুস্থতার খবর পাওয়া গেছিল পরিবার থেকে। গত কয়েকদিন আগে শ্বাসনালীতে একটি ছোট্ট অপারেশন ও হয়। পরে তরল খাদ্য খাওয়ার ও খবর ছিল।ভেন্টিলেশন থেকে সরিয়ে আইসিইউতে রাখা হয়। আজ ভোর ৪টা ১৫ তে তিনি সবার সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ অমৃত গামী হন। প্রসঙ্গত ব্লক ও অঞ্চল তৃণমূল নেতৃত্ব থেকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের কথায় সমরেশ বাবু লকডাউন থেকে এগরা বিধানসভা সহ কাঁথি এলাকায় গরীব দুঃস্থদের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন। যেখানে যেভাবে দলীয় কর্মীরা ডেকেছেন তিনি পৌঁচেছেন শুধু তাই নয় এগরা বিধানসভা এলাকায় কোভিড-১৯ সচেতনতার প্রচারেও তিনি বহুবার অংশ নিয়েছেন। মাদার থেকে ছাত্র যুবদের নিয়ে মিটিং, ছোট ছোট সভা ও করেছেন। সামাজিক দূরত্ব মেনেই হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে অনেক সময় সাধারণ জনগণকে বলেছেন -” মুখে মাস্ক পরুন ,হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধোবেন, হাতে সেনিটাইজার লাগাবেন, খাওয়া-দাওয়ার ভালো করে করুন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করুন এবং নিজেও সুস্থ থাকুন পরিবারকে সুস্থ রাখুন সাবধানে থাকুন।” কিন্তু এই সচেতন মানুষটি আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। তিনি হার মানলেন মৃত্যুর কাছে। এগরা -২এর বাসুদেবপুর হরিপ্রিয়া ইনস্টিটিউশনের অবসরপ্রাপ্ত সহ শিক্ষক সমরেশ বাবু ২০০৯ সালে বিধায়ক শিশির অধিকারী সাংসদ হয়ে সংসদে যাওয়ায় তার ছেড়ে যাওয়া আসনে উপ নির্বাচনের মাধ্যমে এযাবৎ এগরার বিধায়ক ছিলেন। বরাবরই ব্যতিক্রমী চরিত্রের এই বিধায়ক বিভিন্ন সময়ে তার উদার পদক্ষেপের জন্য কখনো দল কখনো প্রিয়জনের কাছে তিনি বিরাগ ভাজন হয়ে বারংবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছেন। জীবনে বাম ঘরানার এই রাজনীতিক শেষ জীবনে ডান পন্থী দলের বিধায়ক হওয়া থেকেই দলের অন্দরে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ছিলেন।, নিজেও কৌশলে দক্ষতায় ওভারকাম করার চেষ্টা করেছেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে তার পরিচিত মহল ও অনুগামীদের মধ্যেই শোকের