গৌরীশংকর মহাপাত্র :এগরা কাঁথি: মেদিনীপুর।বিধায়কের অকাল মৃত্যুতে স্মরণসভা এগরা-১ পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে হয়। মঙ্গলবার এগরা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাগৃহে বিধায়ক সমরেশ দাসের ছবিতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অমিয় রাজের মাল্যদানের পর নীরাবতা পালনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন, বিডিও বংশীধর ওঝা,সহ সভাপতি রাধাকান্ত বর, শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মানসী দে, জেলা পরিষদের সদস্যা ড: ছবি
দাসমহাপাত্র ও অঞ্জনা বিশাল প্রমুখ। এ দিন ব্লকের পাঁচরোল পঞ্চায়েতের উদ্যোগেও অনুরূপ স্মরণসভা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন হয়। গ্রাম পঞ্চায়েতের কমিউনিটি হলে প্রয়াত বিধায়কের ছবিতে মাল্যদান ও নীরাবতা পালনের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। বিধায়কের স্মরণে মৌন মিছিলের আয়োজন হয়। উপস্থিত ছিলেন পাঁচরোল পঞ্চায়েত প্রধান রবীন্দ্রনাথ সোম, উপ-প্রধান রেহানা খাতুন, ব্লকের কর্মাধ্যক্ষ চন্দ্রকান্ত মাইতি, দলের অঞ্চল সভাপতি অশোক দাস, চন্দন রায়, রবীন্দ্রনাথ দাস, অশোক খাটুয়া, শেখ মুক্তাজল ও আস্পাতুল্লাহ খান প্রমুখ- সহ সমস্ত পঞ্চায়েত কর্মচারীরা। ভয়েস থানে আলোচনায় দলীয় কর্মীদের বিধায়কের বর্ণময় কর্মজীবনের নানান দিক তুলে ধরেন। তার সাংগঠনিক দক্ষতা
এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার বিচক্ষণতা, দলীয় কর্মীদের সংযত আচরণ নিয়ে তার পরামর্শ, আম্ফান ও করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় ত্রাণ বণ্টনে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতার পরামর্শের টুকিটাকি ঘটনা স্মৃতিচারণায় উঠে আসে ।একজন আদর্শ শিক্ষক ও সমবায় আন্দোলনের দিকপাল ব্যক্তিত্ব কিভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠে ছিলেন তাও আলোচিত হয়। কোন কর্মীর প্রশংসানীয় দিকটি
তুলে ধরে তাকে উৎসাহিত করা আবার তারই সামনে ত্রুটি গুলি তুলে ধরে তাকে সংশোধিত করার অসীম দক্ষতা ও কর্মীদের আলোচনায় উঠে আসে। উপস্থিত সকলে যে যার ব্যক্তি জীবনে বিধায়ককে কাছ থেকে কিভাবে পেয়েছিলেন সেই অভিজ্ঞতা স্মৃতিচারণে তুলে ধরেন