
দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। তিনদিনের টানা অতিবৃষ্টি ও রসুলপুর নদীর জলোচ্ছ্বাসে দেশপ্রাণ ব্লকের অাউরাই, অামতলিয়া, বসন্তিয়া ও দারিয়াপুর অঞ্চল, কাঁথি-৩ ব্লকের কানাইদীঘি ও কুমিরদা অঞ্চল, ভগবানপুর – ২ ব্লকের বরোজ ও অর্জুননগর, খেজুরী-১ ব্লকের টিকাশী ও বীরবন্দ অঞ্চল, খেজুরী-২ ব্লকের জনকা ও নিজকশবা প্রভৃতি অঞ্চলের তীরবর্তী এলাকা সমূহ প্লাবিত। ধানজমি,মাছের ভেড়ী সহ অানাজ ও সব্জীর ফলনের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। এমনিতেই অামফান দুর্যোগে ঘরবাড়ি সহ মৎস্য চাষ, অানাজ ও সব্জীর ফলনের প্রভূত ক্ষতি সাধিত হয়েছিল। লকডাউন জনিত কারণে কর্মহীনতায় মানুষ জেরবার, তার পরে রসুলপুর নদীর বাঁধ ভেঙে ও জোয়ারের জলোচ্ছ্বাসে নদী তীরবর্তী

এলাকার মানুষজন নিরাশ্রয় ও খাদ্য সামগ্রী এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অভাবে ভুগছেন। কালীনগর বাজার, কুলঞ্জরা, উমাপতিবাড়, সুনিয়া,উত্তর কশাফলিয়া, পূর্ব অামতলিয়া, দক্ষিণ অাড়িয়া,অালািচক,বোগা,পাঁচুড়িয়া প্রভৃতি মৌজায় জল ঢুকে ঘরবাড়ি কে ও প্লাবিত করেছে।নিম্নচাপ জনিত পরিস্থিতিতে প্লাবিত এলাকার অবস্থার অারো অবনতি ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। সেই সাথে রামনগর-১, রামনগর -২,কাঁথি-১, দেশপ্রাণ,খেজুরী-২ ব্লকের সমুদ্র বাঁধ চরম ক্ষতিগ্রস্হ।অবিলম্বে সমুদ্র বাঁধ সহ রসুলপুর নদীর বাঁধ মেরামতি ও প্লাবিত এলাকায় দুর্গতদের সরকারীভাবে ত্রাণ, ত্রিপল,খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদানের দাবিতে রাজ্যের মুখ্য সচিব কে ই-মেইল বার্তা পাঠিয়েছেন

সিপিঅাইএম নেতা তথা মামুদ হোসেন। তিনি বলেন অামফানের পরে নিম্নচাপ জনিত কারণে অতিবৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসে পীড়িত মানুষের পাশে সরকারী সাহায্য ও ত্রাণ অবিলম্বে পৌঁছানো প্রয়োজন।কাঁথি -৩ এর ভাজাচাউলি অঞ্চলের কৌশল্যা,দক্ষিণনিশ্চিন্তা,কাণ্ডারমারী, পশ্চিম সরপাই,হাটুরিয়া প্রভৃতি মৌজায় ধানজমি সহ সমগ্র এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ভগবানপুর-২ এর বরোজ ও অর্জুন নগর পঞ্চায়েতের পাঁঁউশী সহ বিস্তৃর্ণ এলাকা ঘুরে দেখলেন ভগবানপুর-২বিডিও জয়দেব মণ্ডল, স্থানীয় দুই পঞ্চায়েত প্রধান ও কর্মাধ্যক্ষ রাধারানী খাটুয়া।পটাশপুর-২এর আড়গোয়াল, মথুরা, সাউথখন্ড এলাকার বিস্তীর্ন এলাকা লোয়ার বারচৌকার জলে প্লাবিত।
