
গৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক : এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। আসন্ন ঝড় “ইয়াশ”এর বিপর্যয় মোকাবেলায় এগরা বিধানসভায় তৈরী বিধায়ক তরুন কুমার মাইতি। গতকাল তিনি পরিস্থিতি মোকাবেলায় উৎসাহী যুবকদের নিয়ে একটি বাহিনীও তৈরী করে প্রশিক্ষণ দেন। কয়েকদিন আগে তিনি এলাকার দুই ব্লকে বিডিও, সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান, কর্মাধ্যক্ষদের ও পৌরপ্রশাসক ও প্রশাসক মন্ডলী নিয়ে আম্ফানের অভিজ্ঞতা কে সামনে রেখে বিপর্যয় মোকাবেলার সরকারি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রতিটি পঞ্চায়েতেও বিপর্যয় মোকাবেলা টিম তৈরী রয়েছে। প্রধানের নেতৃত্বে কিভাবে দ্রুত পরিষেবা দেওয়া য়ায় তার সব রকম ব্যবস্থা গ্ৰহন করা হয়েছে।আজ এগরা -২এর বিবেকানন্দ পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েত এলাকার যে কোনো সমস্যা মোকাবেলায় রেসকিউ টিম সদস্যদের মধ্যে সমন্বয়ে জোর দেওয়ার পাশাপাশি যে যার ভূমিকা নিয়ে পরিচিতি করানো হয়। ফায়ার ব্রিগেড, স্বাস্থ্য দপ্তর, পঞ্চায়েত, স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে তৈরী এই বিপর্যয় মোকাবেলা টিম কিভাবে দ্রুত বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে, পড়ে যাওয়া গাছ তুলে যোগাযোগব্যবস্থা সচল করতে, বিপন্ন মানুষকে ত্রাণশিবিরে নিয়ে আসতে সাহায্য করবে তা উল্লেখ করে সকলকে কর্ত্যবে সচেতন করানো হয়। সঙ্গে প্রয়োজনীয় যন্ত্র ও সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিবেকানন্দ পঞ্চায়েতে আজ বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি, বিডিও কৌশিক রায়, বিবেকানন্দ পঞ্চায়েত প্রধান রাজনারায়ন মান্না,জেলা পরিষদ সদস্য গায়ত্রী পাত্র, ফায়ার ব্রীগেডের আধিকারিক উপস্থিতিত ছিলেন। বিধায়ক আযথা আতঙ্কিত না হতে, গুজবে কান না দিতে, প্রয়োজনীয় অসুবিধের কথা হেল্প লাইনে যথাযথ ভাবে জানতে অনুরোধ করে জানান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের সমস্ত রকম ব্যবস্থা রয়েছে। তিনি তথ্য দিয়ে জানান প্রতিটি পঞ্চায়েতে তিনটি করে রেসকিউ সেন্টার হওয়ার প্রাথমিক কথা থাকলেও প্রয়োজন বুঝে দুই ব্লক ও পৌরসভা মিলে তা হয়েছে ৭০টি, যা এলাকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও আই সি ডি এস কেন্দ্রে রয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান জানান বিদুরপুর উচ্চ শিক্ষা নিকেতন রেসকিউ সেন্টারে প্রায় ৩০টি পরিবারের ১০০জনকে এবং বিদুরপুর প্রাথমিক রেসকিউ সেন্টারে ৬টি পরিবারের ৩৮জন কে তুলে আনা হয়েছে।