
গৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক : এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। এগরা-২এর বাসুদেবপুর পঞ্চায়েতের বাসুদেবপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন অরবিন্দ রায়(৮৫)। সুস্থ্য সমর্থ অরবিন্দ বাবু বিকেলে নিজ বাসভবনে দোলনায় বসে কথা বলতে বলতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং পরিবারকে কোন রকম চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে না ফেরার দেশে পাড়িদেন।তিনি দীর্ঘদিন বাসুদেবপুর এস কে ইউ এস এ দক্ষতা ও সততার সঙ্গে ম্যানাজারের দায়িত্ব পালন করেছেন। সদালাপি স্বল্পভাষী পরোপকারী বামপন্থী মতাদর্শের এই রাজনীতিক বাসুদেবপুর অঞ্চল এন সি পি দলের সভাপতি ছিলেন। সাতের দশকে থেকেএগরা বিধানসভার বিধায়ক অধ্যাপক প্রবোধ চন্দ্র সিনহার খুব আস্থা ভাজন ও অনুগামী ডিএস পি দলের দায়িত্বে থেকে এলাকায় মানুষকে পরিষেবা দিয়েছেন। সমিতিতে তিনি প্রয়াত বিধায়ক ও সমবায়ী সমরেশ দাসের আস্থাভাজন ও বিরাগ ভাজন দুই ছিলেন । অধুনা এনজিপি দলে যুক্ত হয়ে তিনি আমৃত্যু দলের ব্লক কমিটির সদস্য ছিলেন। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে এনসিপির রাজ্য সভাপতি প্রাক্তন মন্ত্রী অধ্যাপক প্রবোধ চন্দ্র সিনহা গভীর দুঃখ প্রকাশ করে সন্তপ্ত পরিবারবর্গকে সমবেদনা সমবেদনা জানান। এন সি পির রাজ্য নেতা অধ্যাপক হৃষিকেশ পয়ড়্যা, জেলা নেতা বরুণ গিরি, যুব নেতা সুজিত সিনহা, ব্লক নেতা ডা: তারাপদ রথ, বিদ্যাসাগর ব্যাঙ্কের প্রাক্তন ম্যানাজার এন সি পি দলের প্রাক্তন জেলা নেতা সুকুমার রায় প্রমুখ। সকলেই দুঃখ প্রকাশ করে সন্তপ্ত পরিবার বর্গ কে সমবেদনা জানান। মৃত্যুকালে তিনি রেখে গেলেন তিন পুত্র পুত্রবধূ, মুগবেড়িয়া কলেজের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার মিশ্রের মত এক জামাতা ও মেয়ে, কৃতী নাতি নাতনীসহ অসংখ্য গুনমুদ্ধ ও শুভানুধ্যায়ী। তাঁর আকশ্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া। ঐ দিন গ্ৰাম্য শশ্মানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
