প্রদীপ কুমার গোল:দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক :নন্দীগ্রাম: পূর্ব মেদিনীপুর।প্রকৃতির খামখেয়ালিতে চাষের মরশুমেও পরিমিত বীজ তলা তৈরি করতে পারেনি চাষী। যে বীজতলা ফেলেছিলেন তাও নোনা, আর অধিক রোদে তাপে শুকিয়ে যাচ্ছে।নন্দীগ্রাম-১ও ২ ব্লকের ইয়াস বিধস্ত ৫টি পঞ্চায়েতের সব কটি মৌজায় এই ঘটনা।

নন্দীগ্রাম-১ব্লকের ভেকুটিয়া পঞ্চায়েতের ৫ম খন্ড জলপাই,মনুচক জলপাই এলাকা জলোচ্ছাসে সম্পুর্ন নোনা জলে ডুবে যায়। চাষীরা অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সেই নোনাধরা জমিতেই বীজতলা ফেলতে বাধ্য হয়েছেন। এমন কি বীজ দোকান গুলিতে লবন সহনশীল জাতের ধানের বীজ না পেয়ে সাধারণ বীজ ধানের তলা ফেলতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান মনুচক জলপাই গ্রামের বাসিন্দা সন্তোষ কুমার গিরি। নন্দীগ্রাম-২ব্লকের নয়াচকবয়াল গ্রামের ভোলানাথ মাইতি ,সেক নেকিমুদ্দিন একই পরিস্থিতি, তারা নোনা কাটানোর চেষ্টা করেও কোন ফল হয়নি।

নন্দীগ্রাম-১ব্লক এলাকায় যারা ব্লক কৃষি বিভাগ থেকে মিনিকিটের মাধ্যমে বীজধান নিয়ে বীজতলা ফেলেছেন তাদের কিছু কিছু জনের লোনা লেগেও শুকিয়ে যাচ্ছে। এমনি পরিস্থিতিতে এলাকার চাষীরা দিশেহারা। চাষের ভরা মরশুমে কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না।

    নন্দীগ্রাম-২ সহ কৃষি অধিকর্তা গৌতম কুমার মন্ডল বলেন জমিতে লোনা কাটানোর জন্যে গোবর সার বা জৈব সার বেশি করে দিতে হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে জিঙ্কের অভাবেও পাতা হলুদ হতে পারে। আমরা লুনেশ্ৰী, লোনাস্বর্ণ লবন সহনশীল  জাতের ধান চাষের পরামর্শ দিয়েছি। এমন কি লোনা লাগে এমন জমি বাদ দিয়ে বীজ তলা ফেলার কথা বলেছি ।নন্দীগ্রাম-২ব্লক কৃষি বিভাগ ইয়াস বিধস্ত বয়াল-১ও২ গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট১৫টি কমিউনিটি সিড বেড করেছি। প্রতিটি সিড বেড প্রায় ৫০ ডিসমল। যেখানে এলাকার চাষীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে লবন সহনশীল ধানের চারা পাবেন।

      Share

      Leave a Reply

      Your email address will not be published. Required fields are marked *