প্রদীপ কুমার গোল : দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক :নন্দীগ্রাম: পূর্ব মেদিনীপুর।গাপ্পি মাছ মিলিয়ন ফিস বা রেনবো ফিস্ হিসাবে পরিচিত, এটি সাধারণত উষ্ম মন্ডলীয় মিষ্টি জলের একরিয়াম পালিত মাছ। উইলিয়াম হেলস পিটার্স ১৮৫৯সালে Poecilia revculata নামে ভেনেজুয়েলায় প্রথম এই মাছের শনাক্ত করেন।অনেকে এটি’কে রামধনু মাছও বলেন।.     

    আজ বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রাম-১ব্লক প্রশাসন ও পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ উদ্যোগে এবং নন্দীগ্রাম-১ মৎস‍্য দপ্তরের সহযোগিতায় ১০টি পঞ্চায়েতের উপভোক্তা দের ২০০০করে গাপ্পি মাছের চারা বিতরণ হয়। এমন তথ্য জানান নন্দীগ্রাম-১ব্লক মৎস‍্য সম্প্রসারণ আধিকারিক আলোক মান্না। নন্দীগ্রাম-১ সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অভিষেক ভট্টাচার্য বলেন- গাপ্পি মাছ মূলত জমা জলে মশার লার্ভা খেয়ে মশার প্রজনন আটকায়। ফলে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর মত
      মশা বাহিত রোগ প্রতিরোধ হয়।
      নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের পুকুরে আজ ১০০০ গাপ্পি মাছের চারা ফেলেন নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সৌমশঙ্কর ষড়ঙ্গী।তিনি বলেন নন্দীগ্রাম জলা শঙ্কুল এলাকা বিশেষ করে ইয়াসের জলোচ্ছাসের জমাজল এবং অতি বৃষ্টির জমাজল পরিষ্কার করে সেখানে গাপ্পি মাছের চারা ছাড়লে মশার লার্ভা খেয়ে মশা জন্মাতে দেবে না।সাধারণত সকালে না হয় সন্ধ্যার দিকে গাপ্পির চারা জলাশয়ে ছাড়ার নিয়ম।নোডাল অফিসার ,নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার উপ স্বাস্থ্য আধিকারিক -২ তাপস সমুদ্র সেনগুপ্ত বলেন এটি পরিবেশ বান্ধব উপায়ে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর মত রোগের নিয়ন্ত্রক। নিয়ম মেনে পরিষ্কার জলে যেখানে থার্মোকলের মত আবর্জনা থাকে না এবং গাপ্পি চারা খেয়ে ফেলতে পারে এমন বড় মাছ নেই পুকুরে এর চাষ করতে হবে।নন্দীগ্রাম-১পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধক্ষ ভোলানাথ দাস বলেন- গত বছর গাপ্পি মাছের চারা দেওয়া হয়েছে। আজও নন্দীগ্রাম-১ব্লকের ১০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে এই গাপ্পি মাছের চারা বিতরণ করা হল।উপস্থিত ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক পবিত্র কুমার হালদার,নন্দীগ্রাম-১পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মুক্তি রানী মাইতি পূর্ত কর্মাধক্ষ স্বদেশ দাস , শিল্প পরিকাঠামো উন্নয়ন কর্মাধক্ষ‍্য সেক আহম্মদ প্রমুখ।

         

        Share

        Leave a Reply

        Your email address will not be published. Required fields are marked *