
গৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর।দলবিরোধী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে এগরা -২এর বিবেকানন্দ পঞ্চায়েত প্রধান রাজনারায়ন মান্নার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনল তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য সদস্যা। ৩০ শে জুলাই শুক্রবার এগরা- ২ বিডিও কৌশিশ রায়ের কাছে তাজপুর সংসদের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য অশোক দাসের নেতৃত্বে ১১ জন দলীয় পঞ্চায়েত সদস্য তাদের স্বাক্ষরিত অনাস্থা জমা দেন। বিডিও সেই নিরিখে আগামী ১২আগষ্ট বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত অফিসে বেলা ১১টায় অনাস্থা সভার নোটিশ সার্ভ করেন। জানা গেছে পঞ্চায়েতের ১৮ সংসদের ১১ জন এই অনাস্থা এনেছেন। প্রধানের পক্ষে রয়েছেন ৬ জন , ১ জন রয়েছেন বিজেপি সদস্য।প্রসঙ্গত এই অনাস্থা ঘিরে দলের মধ্যে জেলা নেতৃত্ব থেকে ব্লক পর্যন্ত দুই শিবিরের বিভক্ত। জেলা নেতৃত্বের মধ্যে রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী অখিল গিরিরা চান না দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া অনাস্থা আনার। রাজ্য নেতৃত্ব এই মহুর্তে অনাস্থার বিপক্ষে তারা ব্লক ও অঞ্চল নেতৃত্বকে অনাস্থা আনার মুহুর্ত থেকে বাধা দিয়ে আসছেন। ব্লক ও অঞ্চল নেতৃত্বের দাবি প্রধান নিজের সিদ্ধান্তে পঞ্চায়েত চালান, দলের সঙ্গে কোন বিষয়ে আলোচনা করেন না, তার আচরণে সাধারণ মানুষসহ পঞ্চায়েত সদস্যরা ক্ষুব্ধ, তারা পঞ্চায়েতে যেতে আনাগ্রহী,ফলে এমন প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা ছাড়া উপায় নেই। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যদি এ বিষয়ে অনুমতি না দেয় তা দুর্ভাগ্যজনক। আমরা প্রধানের অপসারণ চাই।এক জন আবার বলেই ফেললেন -আচ্ছা রাজ্য নেতৃত্ব তো সাবাজপুট ও মহিষাগোট পঞ্চায়েত প্রধান অপসারণ করতে না বলে ছিল, তা সত্ত্বেও প্রধান অপসারিত হয়েছে আর নতুন প্রধান ও নির্বাচিত হয়েছেন, সুতরাং আমাদের কাজ করে যেতে হবে। এদিকে যার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব সেই পঞ্চায়েত প্রধান রাজনারায়ন মান্না তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেন- আমি দল বিরোধী কোনো কাজ করিনি,আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার করা হচ্ছে, কার্যত আমি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার।আমি ও ছাড়বো না এর শেষ দেখা দেখব। প্রয়োজনে দেখা হবে। এদিকে বুধবারের শাসক দলের এক অনুষ্ঠানে বিডিওর উপস্থিতি ঘিরে সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, বিরোধীরা বিডিওর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
