দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক : নন্দীগ্রাম: পূর্ব মেদিনীপুর।ভোট পরবর্তী হিংসা মামলা কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন।যখন কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল বার বার ছুটছেন নন্দীগ্রামে সরজমিনে সব কিছুই খতিয়ে দেখতে, তখন আবারও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচন ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে কর্মীদের মারধরের অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির দাবি রানু বারিক তার রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট নিতে আমদাবাদ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে গেলে পঞ্চায়েত প্রধান সবিতা বারিক দিতে অস্বীকার করেলে রানুদেবী মমতা পাত্র কে জানান। তখন মমতা পাত্র সহ কয়েক জন বিজেপি সমর্থক গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সবিতা বারিকের কাছে রানু বারিককে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট না দেওয়ার কারন জানতে চান। এমন সময় সত্যজিত শাসমলের নেতৃত্বে কিছু তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক রানু বারিক,মমতা পাত্র,সহ বিজেপি কর্মীদের মারধর করে বলে অভিযোগ। রানু দেবীরা রিয়াপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।এই প্রসঙ্গে অভিযুক্ত সত্যজিৎ শাসমল বলেন রানু বারিক যখন রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট আনতে আসেন তখন অঞ্চলে ১৬আগস্ট দুয়ারে সরকারের প্রস্তুতি সভা চলছিল। সেই সময় গ্রাম প্রধান সবিতা বারিক বলেন আগে ট্যাক্স না কাটলে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট দেওয়া হয় না।

    তাতেই রানু বারিক ফোন করে সবাইকে ডাকে। কিছু পরে মমতা পাত্র, তরুণ পাত্র,দেব কুমার দাস,রনজিৎ প্রধান সহ বেশ কিছু বিজেপি কর্মী সমর্থক প্রধানের উপর চড়াও হয়ে ধাক্কাধাক্কি করে। আমি নব কুমার দাস,ভারত খাটুয়া ছাড়াতে গেলে আমাদেরও মারধর করে বলে অভিযোগ করেন। সত্যিজিত বাবু রা নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।ভারতীয় জনতা পার্টির নেত্রী মমতা পাত্র বলেন বিজেপি করার অপরাধে আমাদের কর্মী সমর্থকদের পঞ্চায়েতের সুযোগ সুবিধা থেকে কেন বঞ্চিত হবে তা জানতে আমরা ১২/১৩জন কর্মীদের নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে গিয়েছিলাম।
    নন্দীগ্রাম-২ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এবং নন্দীগ্রাম-২পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মহাদেব বাগ বলেন আমি ব্লকে ছিলাম ঘটনা টা শুনেছি।সঠিক তদন্ত করে জনগনের দাবি যাতে সঠিক ভাবে রূপায়িত হয় সেটা দেখব।

      Share

      Leave a Reply

      Your email address will not be published. Required fields are marked *