
গৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর। আজ ৬০ তম শিক্ষক দিবসে এগরা-২ এর বালিঘাই জগন্নাথ জীউ সেবা সমিতির উদ্যোগে মন্দির প্রাঙ্গণের সাংস্কৃতিক মঞ্চে কৃতি শিক্ষক সম্বর্ধনা ও কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা দান হয় রবিবার। অনুষ্ঠানে প্রথিতযশা শিক্ষক ও আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক বহু গ্ৰন্থ প্রণেতা সাহিত্যিক মন্মথনাথ দাস ও শান্তিপদ নন্দ, প্রাবন্ধিক মথুরানাথ ত্রিপাঠী, ঈশ্বরচন্দ্র পাত্র, রবীন্দ্রনাথ পতি, অহীন্দ্র নারায়ন রায় ও হরেন্দ্রনাথ মাইতি, জাতীয় শিক্ষক অমিয় বরন ভৌমিক ও ড:প্রণব কুমার পট্টনায়ক, গল্পকার মাধবচন্দ্র মিশ্র, অহিভূষণ পাহাড়িসহ ব্লকের ২২টি স্কুলের ১০০ শিক্ষক শিক্ষিকার সঙ্গে পানিপারুল মুক্তেশ্বর হাই স্কুলের কৃতীপ্রধান শিক্ষক ও এলাকার জনপ্রিয় বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি কে উত্তরীয়, মানপত্র, জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রার স্মারক, গীতা ছাতাসহ উপহার সামগ্রী এবং ব্লকের কৃতি ছাত্র-ছাত্রী১০০কে নগদ ৫০০করে টাকা, ৫ জনকে ২০০০ করে বিশেষ আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার সাহিত্য চর্চা বিকাশে, মানুষের খবরের পিপাসা মেটাতে আজ থেকে এগরায় প্রকাশিত দৈনিক আবেশভূমি নামে একটি পত্রিকার শুভ উদ্বোধন করেন বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি। আগামী দিনে চাইলে বড় পত্রিকার সঙ্গে হকারের সহযোগিতায় সবাই বাড়িতে বসে পত্রিকা পেতে পারবেন বলে জানান পত্রিকা সম্পাদক গৌরীশংকর মহাপাত্র। স্বাগত ভাষণে সংস্থা কর্ণধার আশীষ ধাওয়া সেবা সমিতির সারা বছরের সেবা কর্মসূচির উল্লেখ করে মহান দার্শনিক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের বর্ণময় কর্মজীবনের নানান ঘটনা উল্লেখ করেন। ধাওয়া পরিবারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আতিথেয়তা গ্রহণ, শিক্ষা বিস্তারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, লোকশিক্ষার প্রসারে যাত্রাশিল্পে ধাওয়াদের পরিবারের অতীত গৌরব সহ আজতক সেবাকর্মে এই পরিবারের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সাহিত্যিক মন্মত নাথ দাস। গুরুকূল শিক্ষা ব্যবস্থার সুবিধা অসুবিধা, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে জীবনমুখি শিক্ষার অসামঞ্জস্যের প্রসঙ্গ তুলে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি। সভায় পৌরোহিত্য করেন সংস্থা সভাপতি কবি অম্বিকেশ মহাপাত্র।অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত শল্য চিকিৎসক ডা: বাদল অশ্রু ঘাটা, স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: অমর মিশ্র, সমাজসেবী প্রকাশ রায় চৌধুরী প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় সংস্থা সহ-সম্পাদক জন্মেঞ্জয় প্রধান। সহযোগিতায় সংস্থার কর্মকর্তা বিরোজাকান্ত প্রধান, তপন কুমার সামন্ত, ধনঞ্জয় সিংহসহ জগন্নাথ কলা কেন্দ্রের-৩ শিক্ষিকা মৌমিতা দাশ পাহাড়ি, চন্দনা জানা মাইতি, সাথী জানা প্রমুখ। শেষে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান সংস্থা সম্পাদক শ্রী আশীষ ধাওয়া।