
গৌরীশংকর মহাপাত্র :দৈনিক আবেশভূমি ডেস্ক:এগরা কাঁথি:পূর্ব মেদিনীপুর।নিম্নচাপের বৃষ্টিতে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে জলবন্দি দশার ছবি সর্বত্র একই। পটাশপুরে কেলেঘাই নদী বাঁধ ভেঙে নতুন করে প্লাবিত একের পর এক গ্রাম। শুরু হয়েছে খাদ্য ও পানীয়তে সংকট । বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে আইএনটিটিইউসি খিচুড়ি বিতরণ করে প্রতাপ দিঘি ও বাগমারী এলাকায় ।শনিবার প্রতাপদিঘী লায়ন্সের উদ্যোগে মথুরা পঞ্চায়েতের বন্যা কবলিত এলাকায় মানুষের জন্য রান্না খাবার বিতরণ করা হয়। এদিন লায়ন্সের ডিষ্টিক চেয়ারপারশন স্বপন কুমার গিরি বলেন-পটাশপুরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির জেরে বহু মানুষ ঘরছাড়া। তাদের কথা মাথায় রেখে মথুরা পঞ্চায়েতের ৩ হাজার মানুষকে রান্না খাবার তুলে দেওয়া হয়। এদিকে মথুরা পঞ্চায়েত প্রধান অমিত মন্ডল জানান- ২০০৮ এর পর এমন প্রবল বন্যা ও পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে মথুরা পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসন। বারচৌকার এই ভয়াবহতা আগে দেখা যায়নি। কেলেঘাই ভেঙ্গে যাওয়ায় এমন বিপত্তি। তবু শান্তনা আকাশ সংযত হয়েছে। পটাশপুর- ১ এর গোপালপুর পঞ্চায়েতের টেপরপাড়া ও গোকুলপুর পঞ্চায়েতের একাধিক প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন বিধায়িক উত্তম বারিক সঙ্গে পটাশপুর১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি পীযূষ পন্ডা সহ স্থানীয় নেতৃত্ব গন। এদিন বিধায়ক এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি রান্না করা খাবারের ববস্থা ও করেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দিয়ে।বৃষ্টি থামলেও এখন এলাকা জলমগ্ন একাধিক এলাকা। প্রশাসন সূত্রে বলা হয় প্রায় ২০০টি ত্রাণ শিবির হয়েছে ,গত ২৪ ঘণ্টায় নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার মানুষকে। পটাশপুর ২ আই এন টি টি ইউ সি ও যুব তৃণমূল কংগ্রেস উদ্যোগে শ্রীরামপুর পঞ্চায়েতের একাধিক প্লাবিত এলাকায় খিচুড়ি বিতরন করেন। চন্ডিপুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের মহারাজ পটাশপুর-১এ কয়েক হাজার কে রান্না করা খাবার পরিবেশন করেন বলে জানান পটাশপুর-১এর বিডিও পারিজাত রায় ও জয়েন্ট বিডিও অঙ্কুর বিশ্বাস। শুক্রবার পটাশপুর-১এর অমর্ষি-১ পঞ্চায়েতের প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করেন কাঁথি সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি এগরার বিধায়ক অরুণ কুমার মাইতি।তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুবিধা-অসুবিধা জানেন এবং জেলাশাসক ও ব্লক প্রশাসনের নজরে আনেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানকে ত্রাণ শিবির গুলি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন। দেখেন পালপাড়া যোগদা সৎসঙ্গ মহাবিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে প্রায় ৪ ফিট জল। কর্মাধ্যক্ষ আহাদ আলি ও গ্ৰন্থাগারিক সত্যব্রত সাউ জানান গ্রন্থাগার বিভাগের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির।