গৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি: এগরা কাঁথি: পূর্ব মেদিনীপুর।স্বাধীনতা সংগ্রামী সর্বাধিনায়ক ভীমা চরণ পাত্রের ১২৯ তম জন্মদিন পালন হয় তাঁর কনিষ্ঠা কন্যা বিশিষ্ট শিক্ষক ঊষা পাত্র ভূপতি নগরস্হিত বাসভবনে। সোমবার এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও কবি অজিত জানা। সঞ্চালক বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও আঞ্চলিক ইতিহাস গবেষক মন্মথনাথ দাস। উপস্থিত ছিলেন কবি কালীপদ মাইতি, অশোক দাস ও অনিল সাহু, শিক্ষক ভূপাল কুমার মাইতি ও কালীপদ সাউ, সংগীত শিল্পী শুকদেব পাল, শিক্ষানুরাগী অপূর্ব কুমার দাস, পুত্রবধূ তপতী পাত্র প্রমুখ। সকলেই সাধীনতা সংগ্ৰামী ভীমা চরণ পাত্রের বর্ণময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন উপস্থিত

                                           সকলকে সমৃদ্ধ করেন।স্মৃতি চারনায় মন্মথ বাবু বলেন লেন- “আন্দোলনকে মজবুত করতে ও সংগঠন সুদৃঢ় করতে যেমন তিনি সদা সতর্ক ছিলেন, তেমনি তার দেশহিতব্রতে গ্রামীণ সমাজের উন্নতি সাধনের বহুমুখী কর্মকাণ্ড চলছিল একইসঙ্গে। নিজ গ্রাম ভগবানপুর-২এর কুঞ্জপুরের অর্থনীতিতে সমবায়ের ভিত্তি সুদৃঢ় করা ও বাপুজি পরিকল্পিত তুলাচাষ, চরকায় সুতা কাটা, খাদি বস্ত্র বয়ন প্রভৃতি শিল্পোদ্যোগকে তিনি জীবনের বীজ মন্ত্র হিসেবে গ্রহণ করেন। এই সঙ্গে অস্পৃশ্যতার সংস্কার রোধ, অসবর্ণ ও বিধবা বিবাহ প্রচলন, হরিজনদের নিয়ে পংক্তি ভোজন প্রভৃতিতে উৎসাহ দিয়ে গ্রামে গ্রামে উদার সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলাতে তাঁর নিরন্তর প্রয়াস ছিল। গ্রামের শিক্ষাব্যবস্থার দৈন‍্যতা তাকে প্রথম থেকে ব্যথিত করে। তাই জাতীয় বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে নিজে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনে অমানুষিক পরিশ্রম করতেন।” বর্তমান প্রজন্মের কাছে তাঁর এই আদর্শ তুলে ধরার আহ্বান জানান।

    Share

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *