
গৌরীশংকর মহাপাত্র:দৈনিক আবেশভূমি:মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের তিনদিনের রাজ্য সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে মঙ্গলবার।২৫শে ডিসেম্বর বড় দিনে রাজারহাট নিউটাউন সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোল, জাতীয় সংগীত ও সম্মেলনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। ছিলেন লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষা মীরা কুমার, সংগঠনের রাজ্য শাখার সভাপতি রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য। রাজ্যপাল তার উদ্বোধনী বক্তব্যে শত বর্ষ সমাপ্তি অধিবেশনের বর্ণাঢ্য সূচনায় বলেন “হোয়াট বেঙ্গল থিঙ্কস টু ডে, ইন্ডিয়া থিঙ্কিস টুমোরো” অর্থাৎ আজ বাংলা যা ভাবে ভারত তা ভাবে আগামীকাল। গোপাল চন্দ্র গোকলের ঐতিহাসিক উক্তির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রবীন্দ্রনাথ প্রতিষ্ঠত নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের সমাপ্তি অধিবেশনের সূচনা করেন রাজ্যপাল ডঃ সিভি আনন্দ বোস। নিজেকে তিনি বাংলার পালিত পুত্র বলে মন্তব্য করেন। রাজ্যপাল ছাড়া ছিলেন তার স্ত্রী লক্ষ্মী আনন্দ বোস, অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর, প্রাক্তন রাজ্যপাল শ্যামল সেন, পন্ডিত অজয় চক্রবর্তী, শিল্পী শুভাপ্রসন্ন, বাংলাদেশের উপরাষ্ট্র দূত আন্দালিব ইলিয়াস, বাংলাদেশের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৌমিত্র শেখর দে, প্রাক্তন ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলী প্রমুখ। তিনদিনের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে মঙ্গলবার।কাঁথি দীঘা শাখা থেকে এক ঝাঁক সদস্য সম্মেলনে অংশ নেয়। ছিলেন সভাপতি দেব কুমার শাসমল, সহ-সভাপতি শিক্ষিকা রীনা দাস ও ড: কালিপদ প্রধান, অধ্যক্ষ রতন কুমার সামন্ত, সম্পাদক দেবাশীষ মাঝি, কবি এস মহিউদ্দিন, প্রমথেশস মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ শুভেন্দু খাটুয়া প্রমুখ তাদের সাংস্কৃতিক দক্ষতা উপস্থাপন করে সকলের নজর কাড়ে ও প্রশংসা কুড়ায়।