
গৌরীশংকর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভুমি: মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।সোমবার ভোর প্রায় ৪ টায় কসবাগোলা নিজ বাসভবনে বার্ধক্য জনিত রোগভোগের পর প্রয়াত এগরার প্রাক্তন বিধায়ক ও শিক্ষক শামসুল আলম খান(৯২)। সারা জীবন জাতীয় কংগ্রেসের সমর্থক কশবাগোলা-২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইংরেজি ও বাংলা ড্রাফটিং এর বিশেষ দক্ষতা ও জনপ্রিয় ছিলেন। ইউনিয়ন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, পাঁচরোল পঞ্চায়েতের প্রধান, ১৯৭২ থেকে ৭৭ এগরার বিধায়ক, এগরা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, পাঁরোল হাইস্কুলের ও কসবাগোলা হাই মাদ্রাসার প্রাক্তন সভাপতি সামশুল বাবু মৃত্যু কালে রেখে গেলেন এক স্ত্রী, ৪ পুত্র ও ৭ কন্যা জামাতা।পাঁচরোল পঞ্চায়েতের বর্তমান উপ প্রধান রেহানা খাতুন তার কনিষ্ঠ পুত্রবধূ। এম এল এ থাকাকালীন এগরার বিভিন্ন উন্নয়নে তার নাম জড়িয়েছে, বিশেষ করে আলংগিরি কসবা গোলা রাস্তা, নেগুয়া কসবাগোলা রাস্তা, কসবা গোলাপ্রাথমিক, পানিপারুল, পিরিজ খাঁ বাড়( গঙ্গাধর বাড়), বেতা, শ্যামপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্র তাঁর উদ্যোগে স্থাপিত হয়। তাঁর আমলে চম্পা খাল খনন, উড়িষ্যা কোস্ট ক্যানেল ও চম্পা খালের সংযোগ থলে সাইফুল, জুকি বাঁধ, ভবানীচক পাহাড়পুর রাস্তা, এগরা হরিপুর রাস্তা, এলাকায় ব্যাপক ডিপটুয়েল (গুচ্ছ স্যালো)স্থাপন করে উচ্চ ফলনশীল ধান চাষ এলাকায় সবুজ বিপ্লবের কারিগর তিনি।এমন দক্ষ জন প্রতিনিধির মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া।শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতি, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক রাধানাথ মিশ্র, ছত্রীর প্রাক্তন প্রধান সুকুমার রায়, কর্মাধ্যক্ষ মানসী দে, এগরা- ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অমিও রাজ, জেড়থান পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিজনবিহারী সাউ, পাঁচরোল পঞ্চায়েত প্রধান রবীন্দ্রনাথ সোম, জাতীয় কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মানস কর মহাপাত্র, সাধারণ সম্পাদক সাধনকান্তি উত্থাসনী, শ্রমিক নেতা রুস্তম খান প্রমুখ শেষ শ্রদ্ধা জানান। এলাকার প্রাক্তন বিধায়ক পরিষদীয় মন্ত্রী অধ্যাপক প্রবোধ চন্দ্র সিনহা দূরাভাষে গভীর শোক প্রকাশ করে সন্তপ্ত পরিবারবর্গ কে সমবেদনা জানান।এগরা থানার আইসি মৌসুম চক্রবর্তী শেষ যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন। সোমবার বিকালে কসবাগোলা গ্রাম্য কবরস্থানে পরিজনেদের দ্বারা মাটি দিয়ে তার শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয়।
