
গৌরীশঙ্কর মহাপাত্র: দৈনিক আবেশভূমি: মেদিনীপুর পূর্ব পশ্চিম।বুধবার সকাল ৮-৩০এ বজ বজের জগন্নাথ হাসপাতালে দীর্ঘ রোগভোগের পর না ফেরার দেশে পাড়ি দেন পটাশপুর-২ এর মথুরা পঞ্চায়েতের দীর্ঘ সময়ের পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধান সুশীল রঞ্জন পাহাড়ী (৮১)। বিদ্যাসাগর ব্যাংকের প্রাক্তন এই আধিকারিক সরস্বতী পুজোর দিন পূজার্চনার মধ্যে পড়ে গিয়ে কোমর ফ্র্যাকচার হয়। এগরা হাসপাতালে কয়েক দিন চিকিৎসার মধ্যেই নিউমেনিয়ায় আক্রান্ত হন। পরে বজবজের এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্লক জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। সমাজসেবী এই ব্যাংক আধিকারিক ১৯৯৩এ তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা শিবশঙ্কর মহাপাত্রের আহবানে রাজনীতিতে আসেন এবং ৯৩ থেকে ৯৮ মথুরা পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সংরক্ষণের গেরোয় ৯৮-২০০৩ ঐ পঞ্চায়েত বর্তমান প্রধান অমিত মন্ডলকে প্রধান করে দল তাকে উপ প্রধান করে, ২০০৩- ২০০৮তিনি পুনরায় প্রধান । ২০০৮-২০১৩তিনি পটাশপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ। আমৃত্যু ২০২৩ পর্যন্ত তিনি ওই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। এলাকায় বহু গঠনমূলক সংস্থায় তিনি জড়িয়ে ছিলেন। গ্ৰামে ” মথুরা সেবক সংঘ” ক্লাব সংগঠন গড়ে স্থানীয় সমাজ সেবী কানাইলাল মাইতিকে সঙ্গে নিয়ে নাবার্ডের আর্থিক সহযোগিতায় গ্রামে গ্ৰামে মোরামিকরণ থেকেই রাজনীতিতে অনুপ্রবেশ করেন। সদা হাস্যময় সদামাঠা অনাড়ম্বর জীবনযাপনে বিশ্বাসী এই সংগঠক মথুরা এসকেএস এর কর্মকর্তা, বাল্যগোবিন্দপুর হাইস্কুলের এক সময়ের পরিচালন কমিটির সদস্য, প্রতাপদীঘি থানা মার্কেটিং, প্রতাপদীঘি রাইসমিল, প্রতাপ দীঘি রামকৃষ্ণ সারদা শিক্ষা সদন ট্রাস্টি, এগরা মহকুমা বই মেলার সদস্য থেকে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর মরদেহ প্রতাপদীঘি রামকৃষ্ণ সারদা শিক্ষা সদনে পৌঁছালে ট্রাস্টের প্রিয় সংগঠকে চোখের জলে সে শ্রদ্ধা জানান প্রধান শিক্ষক শক্তিপদ গিরি, উৎপল বিকাশ দাস, ডা: সুধাময় মহান্তিসহ শিক্ষক শিক্ষিকাগণ। প্রমুখ। রাইসমিলে শেষ শ্রদ্ধা জানান সমবায়ী গোলকেশ নন্দ 
